ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন শেল্টার হোমে ৩ থেকে ৭ বছর আশ্রিত থাকার পর বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফিরলো তারা। এদের অধিকাংশেরই পিতা অথবা মাতা ভারতে জেলখানায় সাজাভোগ করছেন।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম সাখাওয়াত হোসেন জানান, ভালো কাজের আশায় দালালদের মাধ্যমে তারা তাদের পিতার সাথে ভারতে যায়। পরে তারা ভারতীয় পুলিশের হাতে আটক হয়। জেল হাজতে পাঠানো হয়। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন হোমে আশ্রয় হয় তাদের। পরে দুদেশের প্রশাসনের হস্তক্ষেপে প্রায় তিন থেকে ৭ বছর পর বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে দেশে ফেরত আসে তারা। ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাদের বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে এ সমস্ত শিশুদের রাইটস যশোর ১০ জন, বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতি ৮ জন ও জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার এই তিনটি এনজিও সংস্থা গ্রহণ করেছেন।
আরও পড়ুন:
মহিলা আইনজীবী সমিতির যশোর প্রোগ্রাম অফিসার রেখা বিশ্বাস জানান, ভাল কাজের প্রলোভনে সীমান্তের অবৈধ পথে এ সব শিশুরা তাদের পিতা-মাতার সাথে ভারতে গিয়েছিল। এ সময় অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় পুলিশ তাদের আটক করে জেলে পাঠায়। আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের পিতা-মাতাদের সাজা হলে ভারতীয় একটি মানবাধিকার সংস্থা এসমস্ত শিশুদের তাদের হেফাজতে নেয়। পরে দেশে ফেরে তারা।
তারা পাচারকারীদের শনাক্ত করে আইনি সহায়তা চাইলে সংস্থার পক্ষ থেকে সেটা দেয়া হবে বলে জানানো হয়।
ফেরত আসা ২৮ শিশুকে বেনাপোল থেকে যশোরে নিজেদের সংস্থার শেল্টার হোমে রাখা হবে। পরে অভিভাবকদের সাথে যোগাযোগ করে তাদের হাতে হস্তান্তর করা হবে বলেও জানানো হয়।





