সকাল সোয়া ৮টার দিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-১ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমেদ পেকুয়া সরকারি মডেল জিএমসি ইনস্টিটিউশন কেন্দ্রে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। এসময় তিনি বলেন, ‘এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ইতিহাসের বাঁকবদল শুরু হয়েছে।’
কক্সবাজারের চারটি সংসদীয় আসনে এবার ১৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১৮ লাখ ৪৯ হাজার ৯৯২ জন। বিপুল সংখ্যক ভোটারের ভোটগ্রহণে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার দায়িত্ব পালন করছেন। সকাল থেকেই নির্বাচনি মালামাল বিতরণ শুরু হয়ে অধিকাংশ কেন্দ্রে তা নিরাপদে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
আরও পড়ুন:
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি কেন্দ্রে মালামাল ও কর্মকর্তাদের সুরক্ষায় কমপক্ষে ২-৩ জন পুলিশ এবং অস্ত্রধারী আনসারসহ মোট ১৩ জন সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। এছাড়াও মাঠে কাজ করছে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, র্যাব, বিজিবি ও কোস্টগার্ড। পুলিশের মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্সও টহলে রয়েছে। সার্বিক নিরাপত্তা তদারকিতে ৯টি উপজেলায় ৩৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ৯ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন।
এবারই প্রথম বড় পরিসরে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ হচ্ছে। কক্সবাজার জেলায় ২৮ হাজার ৬৩০ জন ভোটার পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন।
নির্বাচনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের শরীরে বডিওর্ন ক্যামেরা সংযুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি আনসার সদস্যদের কাছে রয়েছে বিশেষ সুরক্ষা অ্যাপ, যাতে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া যায়।
এদিকে, সকাল থেকে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ চললেও ভোটের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশন। ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল পর্যন্ত।





