বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে গত ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ওই তিন জেলার ২১টি উপজেলায় ১৬টি বেইজ ক্যাম্প স্থাপনের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করছে বিজিবি।
মোতায়েনের পর থেকে এখন পর্যন্ত দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বিজিবি ৩৪০টি টহল কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। পাশাপাশি ৫০টির বেশি যৌথ অভিযান, ১৭০টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অস্থায়ী চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। বেসামরিক প্রশাসন, সশস্ত্র বাহিনী ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে প্রায় ৬০টি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এছাড়া সীমান্তবর্তী এলাকায় অর্ধশতাধিক জনসচেতনতামূলক ও মতবিনিময় সভা করেছে বিজিবি।
নির্বাচনি পরিবেশ নিরাপদ রাখতে মোতায়েনকৃত বিজিবি সদস্যরা নিজস্ব অস্ত্রের পাশাপাশি ড্রোন, কে-৯ ডগ স্কোয়াড, বডি ওয়ার্ন ক্যামেরা, বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, আধুনিক রায়ট কন্ট্রোল গিয়ার ও নন-লিথ্যাল অস্ত্র ব্যবহার করে দায়িত্ব পালন করছেন।
আরও পড়ুন:
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং ভোটারদের মধ্যে আস্থা তৈরির লক্ষ্যে বিজিবি সদস্যরা দিন-রাত নিরবচ্ছিন্ন টহল কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। এ সময়ে সাতক্ষীরা, পিরোজপুর ও বরিশাল জেলা থেকে মোট ৩৫ জন ম্যাজিস্ট্রেট ম্যাজিস্ট্রেসি সহায়তা প্রদান করছেন। এছাড়াও দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বিভিন্ন রাজনৈতিক সমাবেশে নিরাপত্তা জোরদারে বিশেষ দল মোতায়েন রয়েছে।
বিজিবি জানায়, প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সীমান্তবর্তী এলাকায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো দুষ্কৃতিকারী গোষ্ঠী যেন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটাতে না পারে, সে লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি ও নিশ্ছিদ্র টহল অব্যাহত রাখা হয়েছে। সীমান্ত পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে নিয়মিত পতাকা বৈঠক ও সীমান্তবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় সভাও চলছে।




