আজ (রোববার, ১ মার্চ) রাত সোয়া ১০টার দিকে দিকে বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) ও দেশে থাকা তার স্বজনরা মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় বড়রেখা পৌরসভার ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. শাহজাহান বলেন, খবর পেয়ে তিনি নিহতের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নিয়েছেন। ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আজমান শহরে বসবাস করতেন সালেহ আহমেদ। সেখানে তিনি পানির গাড়ি চালকের কাজ করতেন। শনিবার সন্ধ্যায় নিয়মিত কাজের সময় মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে ইরানের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র আজমান শহরে আঘাত হানে। এতে সালেহসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সালেহ আহমদকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের পরিবারে স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
দেশে থাকা সালেহ এর ছোট ভাইয়ের স্ত্রী শেলি বেগম মুঠোফোনে জানান, শনিবার থেকেই তারা মৃত্যুর খবর শুনছিলেন, তবে নিশ্চিত হতে পারেননি। রবিবার দুপুরে আমিরাতে অবস্থানরত স্বজনরা মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে তারা জেনেছেন। বর্তমানে প্রবাসে থাকা স্বজনরা হাসপাতালে মরদেহ দেখার জন্য যাচ্ছেন বলেও জানান।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মনিরুজ্জামান খান জানান, তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হয়েছেন যে ইরানের ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতেই তিনি নিহত হয়েছেন।





