প্রায় ১৮ লাখ ভোটারের জেলা ফরিদপুর। এ জেলায় নারী ভোটারের সংখ্যা পুরুষ ভোটার কাছাকাছি। ফরিদপুরে চারটি সংসদীয় আসনে এবারের নির্বাচনে একাধিক নারী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জেলার পেশাজীবি নারীদের অভিযোগ, বড় ভোটার গোষ্ঠী হওয়া সত্ত্বেও তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে রাজনীতিবিদরা গুরুত্ব দেয় না।
শহরের নীলটুলির মুজিব সড়কের পাশে পিঠা বিক্রেতা কোহিনূর বেগম। এক যুগের বেশি সময় পিঠা বিক্রি করে সংসার চালান তিনি। নির্বাচনের মধ্য দিয়ে নতুন সরকার গঠিত হয়, কিন্তু তাদের ভাগ্যের কোনো পরিবর্তন হয় না বলে জানান তিনি।
কোহিনূর বেগম বলেন, ‘ভোট দিয়ে যে সরকার বানাবো, সে সরকারই তো আমাদের দিকে তাকায় না। যদি আমাদের দিকে একটু দৃষ্টি দেয়, তাহলে রাস্তার পাশে বসে ইনকাম করার প্রয়োজন হতো না।’
আরও পড়ুন:
পেশাজীবী নারীরা দিনের পাশাপাশি রাতেও নির্বিঘ্নে কাজ করার নিরাপত্তা চান। এদিকে, নতুন সরকারের কাছে নীতি সহায়তা চান ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তারা।
নারী উদ্যোক্তারা জানান, বিনা সুদে পুঁজির ব্যবস্থা করা আর নিরাপদে চলাচলের পাশাপাশি সকল কাজে অংশগ্রহণের নিশ্চয়তা চান এ জেলার নারী উদ্যোক্তারা।
স্বাধীনতার পর নারী এগিয়েছে, তবে তা যথেষ্ট নয় দাবি করে ফরিদপুরের সচেতন নাগরিক কমিটির সাবেক সভাপতি আইনজীবী শিপ্রা গোস্বামী বলেন, ‘নারীদের উন্নয়নে কাজ করবে, নারীদের কর্মসংস্থানে কাজ করবে এবং নারীরা সকল জায়গায় কাজের সুযোগ পাবে। এমন ব্যবস্থাটাই করবেন আগামীতে যিনি সরকার গঠন করবে।’
জেলার নারী ভোটাররা এবার শুধু আশ্বাস নয়, চান দৃশ্যমান পরিবর্তন। তাই আগামী নির্বাচনে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা।





