টিপস
ডিম না মুরগি, প্রোটিন ঘাটতি মেটাতে কোনটি খাবেন?
ডিম আর মুরগি দুটোই প্রোটিনের সবচেয়ে বড় উৎস। তবে প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে কে এগিয়ে? শরীরে প্রোটিন পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকলে সুস্থ থাকার জন্য ওষুধ খাওয়ার দরকার পড়ে না। তাই সুস্থ থাকতে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খাওয়া জরুরি।
মুরগির সাদা ও বাদামি ডিমের মধ্যে পার্থক্য কী?
যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশে মুরগির সাদা ডিমের চেয়ে বাদামি রঙের ডিমের চাহিদা এবং দাম দুটোই বেশি। তবে কেন এই পার্থক্য? এখানে কি মুরগি কোনোভাবে দায়ী? নাকি পুষ্টি গুণাগুণ কম থাকায় বাজারে তেমন জনপ্রিয়তা পায়নি সাদা ডিম?
সানস্ক্রিন কখন ক্ষতিকর
তীব্র রোদে ঝিমিয়ে পড়েছে জনজীবন। অসহ্য এই গরমে জীবনের নানা প্রয়োজনে ঘরের বাইরে বের হতেই হয়। রোদে বেরোলেই পুড়েছে ত্বক। সানস্ক্রিন ছাড়া বাইরে বেরোনো মানে ত্বকের বিপদ ডেকে আনা। ঘরের বাইরে আমাদের ত্বক সাধারণত ইউভিএ এবং ইউভিবি নামে দুই ধরনের সূর্যরশ্মির মুখোমুখি হয়। এই দুই রশ্মির কারণে আমাদের ত্বকে নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। সূর্যের এই রশ্মিগুলো থেকে ত্বককে সুরক্ষা দেয়ার কাজটিই করে সানস্ক্রিন। তাই ত্বককে এই রশ্মিগুলো থেকে সুরক্ষিত রাখতে হলে স্কিন কেয়ার রুটিনে সানস্ক্রিন যোগ করা জরুরি।
গরমে আরাম দেবে দই
প্রচণ্ড গরমে মাত্রাতিরিক্ত ঘাম বের হওয়ায় পানিশূন্যতার ঝুঁকিতে পড়ে শরীর। এ অবস্থায় নিজেকে সুস্থ রাখতে প্রচুর পরিমাণ পানি পান করতে হবে। এ ছাড়া গরমে শরীরকে ঠাণ্ডা রাখতে খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে কিছু আরামদায়ক খাবার।
এসি, এয়ারকুলার শরীরে বিপদ ডেকে আনছে না তো!
চলতি বছরের শুরু থেকেই প্রচণ্ড গরমের আভাস দিয়ে আসছিল বিশেষজ্ঞরা। এরই মাঝে শুরু হয়ে গেছে সূর্যের চোখ রাঙ্গানি। এরই মাঝে দেশে তাপমাত্রার রেকর্ড ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়েছে। তীব্র গরমে হাঁপিয়ে উঠেছে জনজীবন। এই অবস্থায় একটু প্রশান্তির খোঁজে এসি কিংবা এয়ারকুলারের দিকে ঝুঁকছেন অনেকেই। গরমের হাত থেকে বাঁচতে আমরা ক্রমশ যন্ত্রের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছি। কিন্তু এই যে সাময়িক গরমের হাত থেকে বাঁচতে আমরা কৃত্রিম ঠাণ্ডার সাহায্য নিচ্ছি, তাতে আমাদের শরীরে কী প্রভাব পড়ছে তা কী জানি?