শুক্রবার সকাল ৯টায় ফিরেছেন আটকে থাকা এসব পর্যটক। মূলত সাজেক-খাগড়াছড়ির দীঘিনালা সড়কের মাচালং, সীমানাছড়া, বাঘাইহাট বাজার ও কবাখালী এলাকায় সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যান চলাচল বিচ্ছিন্ন হয়ে পর্যটকরা সাজেকে আটকা পড়েন।
শুক্রবার সকাল ৯টায় সেনাবাহিনীর প্রথম স্কটেই পর্যটকরা সাজেক থেকে বের হয়ে নিরাপদে বাঘাইহাট অতিক্রম করেন।
আরও পড়ুন:
এর আগে গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে পর্যটকদের নিয়ে আসার কার্যক্রম শুরু করে বাঘাইহাট সেনা জোন। সেনাবাহিনীর স্কট দিয়ে মোটরবাইক, সিএনজি অটোরিকশা ও থ্রি হুইলার (মাহেন্দ্রা) সাহায্যে পর্যটকদের সাজেক থেকে নিয়ে আসে।
পথে মাচালং, সীমানাছড়া ও বাঘাইহাট বাজারে পৃথকভাবে নৌকা ও ভেলায় করে পর্যটকদের পার করে। বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত দেড়শো জন পর্যটককে নিয়ে আসতে সক্ষম হয় বাঘাইহাট জোন।
আরও পড়ুন:
এর আগে বৈরী আবহাওয়ায় নিরাপত্তা বিবেচনায় গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সাজেক ভ্যালী পর্যটন কেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে জেলা প্রশাসন। এরমধ্যেই সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় সাজেকে আটকা পড়েন ৫৬১ পর্যটক।
রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমেনা মারজান বলেন, ‘সাজেকে আটকা পড়া ৫৬১ জন পর্যটকের মধ্যে সেনাবাহিনীর সহায়তায় দুই দফায় ৪৬১ জনকে সরিয়ে আনা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাকি পর্যটকদেরও সরিয়ে আনা হবে।’





