পাহাড়ধসে মৃত্যু, রেকর্ড বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত বন্দর নগরী

বৃষ্টিতে ডুবে গেছে পথ-ঘাট
বৃষ্টিতে ডুবে গেছে পথ-ঘাট | ছবি : এখন টিভি
0

তিনদিনের রেকর্ড ৭০০ মিলিমিটার বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত পুরো চট্টগ্রাম অঞ্চল। পাহাড় ধসে চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে অনেকের। জোয়ারের পানিতে তলিয়েছে নোয়াখালীর হাতিয়ার সাতটি ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা। এদিকে সিলেট বিভাগেও নদ-নদীর পানি বাড়তে থাকায় দেখা দিয়েছে বন্যার শঙ্কা।

একটানা বৃষ্টিতে বন্যা ও পাহাড়ি ঢলের পানি বাড়ছে কক্সবাজারের নিম্নাঞ্চলে। পানিতে তলিয়েছে চকোরিয়া, উখিয়া, টেকনাফের বেশ কিছু গ্রাম। বান্দরবানে বিভিন্ন জায়গায় পাহাড় ধসে চাপা পড়েছে প্রায় ২০টি বসতঘর। সাঙ্গু ও মাতামুহুরি নদীর পানি বেড়ে প্লাবিত হয়েছে আশেপাশের কয়েকটি জনবসতি ও সড়ক।

এদিকে কাপ্তাই ও সাজেক সড়কসহ বিভিন্ন জায়গায় পাহাড় ধসে বন্ধ আছে যানচলাচল। দীঘিনালা কবাখালীতে পানি ঢুকে পড়ে প্লাবিত হয়েছে পাহাড়ি এলাকা। থই থই পানিতে তলিয়ে গেছে বন্দর নগরী চট্টগ্রামও। পানি ঢুকে পড়েছে নিচু এলাকার দোকানপাট, বসতঘরে।

নগরীর বাইরে পানি ঢুকেছে হাটহাজারি, সাতকানিয়া, সীতাকুন্ড, বাঁশখালীর বেশ কিছু জনপদে। সিলেট বিভাগের জেলা হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জে বাড়তে শুরু করেছে নদীর পানি। বন্যার আশঙ্কা দেখা দেয়ায় আতঙ্কে দিন পার করছেন স্থানীয়রা।

অন্যদিকে, ভারী বর্ষণে মেঘনার অস্বাভাবিক জোয়ারে নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার ৭ ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

জেআর