‘আমেরিকা ও ইসরাইলের মৃত্যু চাই’, নাজাফে খামেনির কফিন ঘিরে স্লোগান

‘আমেরিকা ও ইসরাইলের মৃত্যু চাই’, নাজাফে খামেনির কফিন ঘিরে স্লোগান
‘আমেরিকা ও ইসরাইলের মৃত্যু চাই’, নাজাফে খামেনির কফিন ঘিরে স্লোগান | ছবি: সংগৃহীত
0

ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছয় দিনব্যাপী শেষযাত্রার শোকমিছিল সীমান্ত পেরিয়ে ইরাকে পৌঁছেছে। আজ (বুধবার, ৭ জুলাই) ইরাকের পবিত্র নগরী নাজাফের রাস্তায় খামেনির কফিন অনুসরণ করে বিশাল মিছিল করেছে হাজারো শোকার্ত মানুষ। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রয়াত এই নেতার বড় বড় প্রতিকৃতি হাতে নিয়ে জনতা মিছিলের পথ ধরে সমবেত হয়। একটি বড় ট্রাকে করে যখন খামেনির কফিন শহরের রাস্তা দিয়ে নেয়া হচ্ছিল, তখন তারা ‘আমেরিকার মৃত্যু চাই’ এবং ‘ইসরাইলের মৃত্যু চাই’ বলে স্লোগান দেন। এ সময় জনতার মাথার ওপর ইরাক ও ইরানের পতাকা উড়ছিল। এর সঙ্গে ইরান-সমর্থিত শক্তিশালী ইরাকি মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলোর ব্যানারও দেখা যায়। এসব মিলিশিয়ার সমর্থকরাও শোকমিছিলে অংশ নেন।

মহানবী মোহাম্মদের (সা.) চাচাতো ভাই ও জামাতা হজরত আলীর (রা.) সমাধিস্থল হওয়ায় নাজাফ বিশ্বের শিয়া মুসলমানদের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় খামেনির কফিন নাজাফের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জাইদি, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করেন। শোকযাত্রায় অংশ নিতে সেখানে পৌঁছেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কমান্ডাররা। এই শোকযাত্রা ইরাকের আরেক পবিত্র নগরী কারবালায় যাবে। এরপর দাফনের জন্য কফিনটি আবার ইরানে ফিরিয়ে নেয়া হবে।

এএম