
বাবার ‘নিরপরাধ রক্তের’ প্রতিশোধ নেয়ার অঙ্গীকার মুজতবা খামেনির
বাবার ‘নিরপরাধ রক্তের প্রতিশোধ’ নেয়ার অঙ্গীকার করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মুজতবা খামেনি। তিনি বলেছেন, ‘প্রতিশোধ আমাদের জাতির ইচ্ছা।’ বাবার শেষকৃত্যের পর দেয়া প্রথম বার্তায় তিনি এই কথা বলেন। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতে হরমুজ প্রণালিতে কমেছে ট্যাংকার চলাচল
চলতি সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি সংঘাতের পর হরমুজ প্রণালিতে দৈনিক ট্যাংকার চলাচল কমে এসেছে বলে আজ (শুক্রবার, ১০ জুলাই) এর তথ্যে দেখা গেছে। এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে জাহাজ চলাচল কে নিয়ন্ত্রণ করছে, তা নিয়ে দুই দেশ আবারও বিতর্কে জড়িয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

মাশহাদে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন খামেনি; শেষযাত্রায় জনস্রোত
পবিত্র নগরী মাশহাদের রাস্তাজুড়ে বিপুল জনতার ঢল নেমেছে ইরানের সদ্য প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষযাত্রায়। ইরানের সবচেয়ে পবিত্র শিয়া মুসলিম স্থান ইমাম রেজার মাজারে তাকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ইরান ও প্রতিবেশী ইরাকের পাঁচটি শহরে ছয় দিনব্যাপী চলা জনশোকযাত্রার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলো। বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ইমাম রেজার মাজারের পাশে দাফন হবেন খামেনি; ছয় দিনের শোকের সমাপ্তি
ইরানের সদ্য প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে আজ (বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই) তার নিজ শহর মাশহাদে দাফন করা হবে। যুদ্ধের কারণে তার শেষকৃত্য বিলম্বিত হয়েছিল। গত এক সপ্তাহে ইরান ও ইরাকের পাঁচটি শহরে তার মরদেহ রাখা হয়েছিল। শেষযাত্রায় অংশ নিয়েছেন লাখো মানুষ। শিয়া মুসলিমদের পবিত্র স্থান ইমাম রেজার মাজারের পাশেই শেষ পর্যন্ত তাকে দাফন করা হবে। ফার্স্ট পোস্ট ও বিবিসির প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানা গিয়েছে।

‘আমেরিকা ও ইসরাইলের মৃত্যু চাই’, নাজাফে খামেনির কফিন ঘিরে স্লোগান
ইরানের নিহত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছয় দিনব্যাপী শেষযাত্রার শোকমিছিল সীমান্ত পেরিয়ে ইরাকে পৌঁছেছে। আজ (বুধবার, ৭ জুলাই) ইরাকের পবিত্র নগরী নাজাফের রাস্তায় খামেনির কফিন অনুসরণ করে বিশাল মিছিল করেছে হাজারো শোকার্ত মানুষ। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ঢাকা ছাড়লেন স্পিকার
খামেনির জানাজায় যোগ দিতে ইরানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। আজ (বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই) সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে তিনি ঢাকা ছেড়ে গিয়েছেন।

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের সংঘাত
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারি। ইসরাইলি বিমান হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। খামেনি ছাড়াও ইরানের আরও ৪৮ গুরুত্বপূর্ণ নেতা নিহত হয়েছেন বলে দাবি ট্রাম্পের। প্রতিশোধ হিসেবে ইরান শত শত ড্রোন ও ব্যালিস্টিক মিসাইল দিয়ে ইসরাইল ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোয় আক্রমণ চালাচ্ছে। হামলা অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। ইরানের সমর্থনে লেবাননের হিজবুল্লাহ রকেট ও মিসাইল হামলা শুরু করলে ইসরাইল লেবাননে তীব্র বিমান হামলা ও স্থল অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

ইসরাইলি হামলায় আবারো কাঁপলো তেহরান
ইরানের রাজধানী তেহরানে ধারাবাহিক শক্তিশালী বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছে। আজ (রোববার, ১ মার্চ) ভোরে ইসরাইলি সামরিক বাহিনী এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তারা শহরের অভ্যন্তরে নতুন করে বড় ধরনের বিমান হামলা চালিয়েছে।

খামেনির ‘হত্যাকাণ্ড’ নিয়ে ইরানের প্রেসিডেন্টের কাছে পুতিনের শোকবার্তা
ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ‘হত্যাকাণ্ডকে’ কেন্দ্র করে রোববার গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। খবর মস্কো টাইমসের।

জীবনের শেষ ভাষণে খামেনি যা বলেছিলেন
নিহত হওয়ার আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি শেষবারের মতো প্রকাশ্যে ভাষণ দিয়েছিলেন। জেনেভায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা শুরু হওয়ার পর তিনি ভাষণটি দেন।

ইরানে অতর্কিত হামলা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের; খামেনি কোথায়?
ইরানের তেহরানসহ কয়েকটি জায়গা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে যৌথ হামলা শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। আজ (শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি) তেহরানের কেন্দ্রস্থলে তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। হামলার পর ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে এখনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে বড় প্রশ্ন— এই হামলার পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি কোথায় আছেন?

ইরানে হামলার পরিকল্পনায় ট্রাম্পের সম্মতি, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়: সিবিএস
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে সামরিক হামলার পরিকল্পনায় সম্মতি দিয়েছেন, তবে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি বলে জানিয়েছে বিবিসির সহযোগী সংস্থা সিবিএস। সিবিএস জানিয়েছে, এক শীর্ষ গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে ট্রাম্প হামলা শুরু থেকে বিরত ছিলেন, সম্ভাব্য কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ রাখতে; বিশেষ করে যদি ইরান তাদের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধে রাজি হয়।