এরদোয়ান বলেন, ‘বিশেষ করে গাজা ও লেবাননে শান্তি নিশ্চিত করার দায়িত্ব আমাদের সবার ওপর বর্তায়।’ তিনি জানান, ইউক্রেনে শান্তির বিষয়ে তিনি ট্রাম্পের দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে একমত এবং কিয়েভের অগ্রাধিকারমূলক চাহিদা পূরণের উদ্যোগকে সমর্থন করেন।
প্রতিরক্ষা খাতে তুরস্কের অর্জন তুলে ধরে এরদোয়ান বলেন, তার দেশ ২০৩০ সালের মধ্যে জিডিপির অনুপাতে প্রতিরক্ষা ব্যয় ৩ দশমিক ৫ শতাংশে উন্নীত করার পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি বলেন, ‘নিঃসন্দেহে আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় সাফল্য প্রতিরক্ষা শিল্পে আমরা যে অগ্রগতি অর্জন করেছি তার মধ্যে নিহিত।’ তুরস্ক এখন বিশ্বের শীর্ষ ১০টি প্রতিরক্ষা উৎপাদক দেশের একটি।
ইউরোপীয় প্রতিরক্ষা সহযোগিতা থেকে ইইউ-বহির্ভূত ন্যাটো মিত্রদের বাদ দিলে ইউরোপে ‘কৃত্রিম বিভাজন’ সৃষ্টি হবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন এরদোয়ান। এছাড়া হরমুজ প্রণালিকে মাইনমুক্ত করতে তুরস্ক প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত বলে জানান তিনি।





