
ট্রাম্পের গোপন বিমান বদল ঘিরে বিতর্ক; সাংবাদিক ও সহকারীদের ‘ঢাল’ হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ
গত জুলাইয়ে তুরস্ক সফর শেষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অত্যন্ত গোপনে ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ থেকে সরিয়ে নেয়ার ঘটনায় মার্কিন নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ইরানের সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকি থেকে ট্রাম্পকে বাঁচাতে তাকে বিমানবন্দরের খাবার সরবরাহকারী ট্রাকে করে সরিয়ে নেয়া হয়। অথচ ওই বিমানেই রয়ে গিয়েছিলেন তার জ্যেষ্ঠ সহযোগী ও সাংবাদিকেরা, যা তাদের চরম ঝুঁকির মুখে ফেলেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ট্রাম্পকে হত্যার ‘ছক’ বানোয়াট, দাবি তুরস্কের; সন্দেহের তির ইসরাইলের দিকে
গত মাসে আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলন চলাকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার লক্ষ্যে ইরানের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে ইসরাইলি গোয়েন্দাদের দেয়া প্রতিবেদনটি আসলে একটি কূটকৌশল ছিল বলে সন্দেহ করছে তুরস্ক। তেহরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের চলমান আলোচনা ভেস্তে দেয়ার জন্যই এই ‘ছক’ কষা হয়েছিল বলে মনে করছে দেশটি। মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

সিক্রেট সার্ভিসের নির্দেশেই বিমান বদল, দাবি ট্রাম্পের
তুরস্ক থেকে ফেরার সময় গোপনে বিমান বদলানোর ঘটনায় মুখ খুললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ (বুধবার, ১২ আগস্ট) তিনি বলেছেন, ইউএস সিক্রেট সার্ভিসের নির্দেশেই তিনি এই বিমান বদল করেন। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি যে বিমানে যাত্রা করেন, সেটি ‘এয়ার ফোর্স ওয়ানের’ চেয়েও বেশি ঝুঁকিতে ছিল বলে দাবি করেছেন তিনি। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি: তেল, ন্যাটো বাহিনী ও পরমাণু শক্তির ত্রিমুখী মেলবন্ধন
আল জাজিরার বিশ্লেষণ
গত শুক্রবার সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের শীর্ষ নেতারা ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’-তে স্বাক্ষর করেছেন। এই চুক্তি অনুযায়ী, তিনটি দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপরই হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা জোরদার করা হবে। ইসরাইলের সম্প্রসারণশীল সামরিক তৎপরতা ও ইরানের আঞ্চলিক প্রভাব নিয়ে বাড়তে থাকা উদ্বেগের মধ্যেই এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। আল জাজিরার বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ইরানের হত্যার হুমকি; জুলাইয়ে ন্যাটো সম্মেলন শেষে যেভাবে গোপনে ‘পালিয়েছিলেন’ ট্রাম্প
ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদন
ইরানের পক্ষ থেকে পাওয়া বিশ্বাসযোগ্য হত্যার হুমকির কারণে গত জুলাইয়ে তুরস্ক থেকে ফেরার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে গোপনে একটি সামরিক বিমানে সরিয়ে নেয়া হয়েছিল। হোয়াইট হাউস ও সঙ্গে থাকা সাংবাদিকেরা যখন মনে করেছিলেন ট্রাম্প ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’-এ করে ফিরছেন, তখন তিনি আসলে বিমানবন্দরের খাবার সরবরাহকারী একটি ট্রাকে করে অন্য একটি ছোট সামরিক বিমানে উঠে তুরস্ক ছাড়েন। গতকাল (সোমবার, ১০ আগস্ট) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ওয়াশিংটন পোস্ট।

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি ইরানকে লক্ষ্য করে নয়, দাবি তুরস্কের
সৌদি আরব ও পাকিস্তানের সঙ্গে সদ্য সই হওয়া ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি ইরানকে লক্ষ্য করে করা হয়নি বলে দাবি করেছেন তুরস্কের নেতারা। শনিবার দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, এই চুক্তিতে ইরান বা অন্য কোনো দেশকে সাধারণ হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি।

পাকিস্তান-সৌদি-তুরস্ক জোট: মধ্যপ্রাচ্যে কি সত্যিই বদলাচ্ছে ক্ষমতার সমীকরণ?
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান তিনটি দেশ গতকাল (শুক্রবার, ৭ আগস্ট) ঐতিহাসিক এক প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করেছে। মক্কায় সই হওয়া এই চুক্তির নাম দেয়া হয়েছে ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’। গত বছর সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে হওয়া একই ধরনের চুক্তির ভিত্তিতেই এবার তুরস্ককে যুক্ত করা হয়েছে। তবে এই জোটকে ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যের বদলে যাওয়া ক্ষমতার সমীকরণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। আল জাজিরার বিশ্লেষণী প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

মক্কা চুক্তি ঘিরে দুশ্চিন্তায় নেতানিয়াহু; নির্বাচনের আগে নতুন সংকটে ইসরাইল
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে সদ্য সই হওয়া প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া দেয়নি ইসরাইল। বিশ্লেষকদের অনেকেই এই চুক্তিকে ইসরাইলের আঞ্চলিক আগ্রাসী নীতির প্রতি একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন। ইসরাইলের সম্ভাব্য প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচিত তুরস্ক, পারমাণবিক শক্তিধর দেশ পাকিস্তান এবং যে সৌদি আরবের সঙ্গে ইসরাইল সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে আগ্রহী এই তিন দেশ শুক্রবার ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ সই করেছে। এই সামরিক জোটের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ শর্ত হল—তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে সবার ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান প্রতিরক্ষা জোট; নতুন নিরাপত্তা কাঠামোর আভাস
সৌদি, তুরস্ক ও পাকিস্তানের ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা জোট দেশগুলোর প্রতিরক্ষা খাতকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি আঞ্চলিকভাবে চালিত একটি নিরাপত্তা কাঠামোর উত্থানে অবদান রাখবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। পাশাপাশি চুক্তিটি তিন দেশের পরিপূরক শক্তির যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করবে বলেও মত বিশ্লেষকদের। তবে এটি রিয়াদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারবে না বলে কটাক্ষ ইরানের।

রিয়াদ-আঙ্কারা-ইসলামাবাদ অক্ষ; মধ্যপ্রাচ্য সংকটের মধ্যে আসছে যৌথ ঘোষণা
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও অস্থিরতার মধ্যে একটি বড় ধরনের যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করতে যাচ্ছে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান। শুক্রবার পবিত্র মক্কায় এই ঐতিহাসিক চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল কর্তৃক আক্রান্ত হওয়ার পর ইরান যেভাবে উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর চড়াও হয়েছে, সেই প্রেক্ষাপটে এই তিন মুসলিম শক্তির একজোট হওয়াকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

এস-৪০০ বর্জন না করায় আটকে গেল তুরস্কের এফ-৩৫: স্বপ্ন কি তবে এখানেই শেষ?
সম্প্রতি মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর কংগ্রেসকে এক চিঠিতে জানিয়েছে, তুরস্ক যুক্তরাষ্ট্রের এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান কর্মসূচির শর্ত এখনো পূরণ করতে পারেনি। তাই রাশিয়ার এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বর্জন না করা পর্যন্ত আঙ্কারাকে এই যুদ্ধবিমান দেয়া হবে না। এর মধ্যেই তুরস্ককে তাদের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির এস-৪০০ ব্যবস্থা সরবরাহ শুরু করেছে রাশিয়া। এখন প্রশ্ন উঠেছে, তুরস্কের এফ-৩৫ সংগ্রহের স্বপ্ন কি তবে চিরতরে ভেঙে গেল?

পাঁচ দিনের সরকারি সফরে তুরস্ক গেলেন সেনাপ্রধান
পাঁচ দিনের সরকারি সফরে তুরস্ক গেলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। আজ (রোববার, ১৯ জুলাই) তুরস্কের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন তিনি। তুরস্ক সরকারের আমন্ত্রণে দেশটিতে সফর করছেন সেনাপ্রধান।