পাঞ্জাব প্রদেশের জরুরি সেবা বিভাগ জানিয়েছে, একটি বেসরকারি স্কুল-পরবর্তী কোচিং সেন্টারের ছাদ ধসে পড়লে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে। উদ্ধারকারীরা ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ১৪ শিশু এবং ৩০ বছর বয়সী এক নারী শিক্ষকের মরদেহ উদ্ধার করেছেন। নিহত শিশুদের বয়স ৫ থেকে ১৬ বছরের মধ্যে, যাদের বেশিরভাগেরই বয়স ৯ বছরের কম।
পাঞ্জাবের তথ্যমন্ত্রী আজমা বোখারি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, কোচিং সেন্টারটি অনিবন্ধিত ছিল এবং একটি জরাজীর্ণ আবাসিক ভবনের নিচে কার্যক্রম চালাচ্ছিল। তিনি বলেন, ‘যদি কারও অবহেলা বা আইন লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ বর্ষা মৌসুমের আগে পাঞ্জাব কর্তৃপক্ষকে অনিরাপদ ভবনগুলো চিহ্নিত করতে এবং অনিবন্ধিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওপর কঠোর নিয়ম আরোপের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি এই দুর্ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি এ ধরনের ট্র্যাজেডি রোধে ভবিষ্যতে কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। পাকিস্তানে নিয়মিত স্কুলের পাশাপাশি এ ধরনের প্রাইভেট কোচিং সেন্টারে বাড়তি পাঠ নেয়ার প্রচলন থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে সেগুলোর নিরাপত্তা মান যাচাই করা হয় না।





