সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক পোস্টে গালিবাফ লিখেছেন, ‘অপর পক্ষের কোনো প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ, চুক্তি লঙ্ঘন বা অযৌক্তিক দাবির ক্ষেত্রে শত্রুকে দাঁতভাঙ্গা জবাব দিতে আমরা মোটেই দ্বিধা করবো না। তারা যুদ্ধে একবার চড় খেয়েছে; যদি তারা আবারও সেই পথ বেছে নেয়, তবে আরও কঠিনভাবে ফের চড় খাবে।’
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মুজতবা খামেনির পক্ষ থেকে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব হলো ‘চুক্তির শর্ত ও বিধান বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করা’ বলে উল্লেখ করেন স্পিকার। তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, তারা সর্বোচ্চ নেতার নির্দেশ মেনেই চলছেন।
গত বুধবার সন্ধ্যায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক’-এ বৈদ্যুতিক উপায়ে স্বাক্ষর করেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথভাবে শুরু করা যুদ্ধ বন্ধের পথ প্রশস্ত করতেই এই চুক্তি করা হয়। সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার সংক্রান্ত চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে ৬০ দিনের আলোচনা চালাবে ওয়াশিংটন ও তেহরান, যা প্রয়োজনে বাড়ানো যাবে।





