তিনি বলেন, ‘ইউএস–বাংলা ও রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা মিলিয়ে আন্তর্জাতিক রুটের মার্কেট শেয়ারের প্রায় ২৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। বাকি প্রায় ৭৫ শতাংশ বিদেশি এয়ারলাইন্সের হাতে রয়েছে। দেশিয় বিমান সংস্থাগুলোর সক্ষমতা বাড়লে দেশের অর্থনীতি আরও স্বাবলম্বী হবে এবং পর্যটন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেরও প্রসার ঘটবে।’
তিনি জানান, ২০১৪ সালে যশোর রুটে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট পরিচালনার মাধ্যমে যাত্রা শুরু করা ইউএস–বাংলা এয়ারলাইন্স ১২ বছর পূর্ণ করে ১৩তম বছরে পদার্পণ করেছে। বর্তমানে সংস্থাটির বহরে রয়েছে ২৫টি উড়োজাহাজ। এসব উড়োজাহাজ দিয়ে দেশের ৬টি অভ্যন্তরীণ এবং ১০টি দেশের ১৪টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে প্রতিদিন প্রায় ১০০টি ফ্লাইট পরিচালনা করা হচ্ছে।
ইউএস–বাংলা এমডি বলেন, একটি এয়ারলাইন্সের প্রকৃত শক্তি শুধু বহরের আকারে নয়; বরং নিরাপত্তা, সেবার মান, পরিচালন দক্ষতা এবং যাত্রীসন্তুষ্টির ওপর নির্ভর করে। এ কারণে ইউএস–বাংলা বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি এয়ারলাইন্স হিসেবে আইএটিএ ও আইওএসএএর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে।
তিনি আরও জানান, ২০২৭ সালের মধ্যে সংস্থাটির বহরে ২১টি নতুন বোয়িং উড়োজাহাজ যুক্ত হবে। এর মধ্যে ১৫টি বোয়িং ৭৩৭-৮ এবং ৬টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০এনজি। পাশাপাশি কুয়েত, বাহরাইন, মদিনা, দাম্মাম, কাঠমান্ডু, কলম্বো, হংকং, জোহর বাহরু ও পেনাংয়ে ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘নিরাপত্তায় আপসহীন থেকে আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করা এবং প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক এয়ারলাইন্স হিসেবে ইউএস–বাংলাকে বৈশ্বিক আকাশপথে বাংলাদেশের অন্যতম শক্তিশালী ব্র্যান্ডে পরিণত করাই আমাদের অঙ্গীকার।’





