বাণিজ্য, প্রবৃদ্ধি ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক কূটনীতির নতুন রোডম্যাপ খুঁজতে, দেশের শীর্ষ নীতি নির্ধারক, ব্যবসায়ী, কূটনৈতিক মিশনসহ দেশে অবস্থানরত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হলো অর্থনীতি কূটনীতি সম্মেলন।
সম্মেলনে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলো তুলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সংকট মোকাবিলায় অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার কথা জানান।
খলিলুর রহমান বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে শক্তিশালী অংশীদারিত্ব গড়ে তুলে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আরও স্থিতিশীল করবে সরকার।’
বৈশ্বিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে নির্ভরশীল গঠনমূলক সহযোগিতা করতে আগ্রহী ঢাকা। বৈশ্বিক বিনিয়োগের জন্য প্রতিযোগিতামূলক, নিরপেক্ষ এবং স্থিতিশীল পরিবেশের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম গন্তব্য হতে চায় বাংলাদেশ।
আরও পড়ুন:
অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল বলেন, ‘দেশকে নিরাপদ ও স্থিতিশীল করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে তার সরকার। গ্রামীণ অর্থনীতি ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাণিজ্য প্রবৃদ্ধির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। সমবায়ভিত্তিক উৎপাদন ও রপ্তানিমুখী শিল্পের প্রসারে সরকার সর্বাত্মক সহায়তা দেবে।’
বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে ব্যবসা পরিচালনার খরচ ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানোর ওপর জোর দেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
তিনি বলেন, ‘শুধু গুটিকয়েক মানুষের জন্য নয়, বরং তৃণমূল থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষ যাতে এই অর্থনীতির সুফল ভোগ করতে পারে, সরকার সেই লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।’
আরও পড়ুন:
বাংলাদেশের নতুন যাত্রায় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সবসময় বিনিয়োগকারীদের পাশে আছে বলে মন্তব্য করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
শামা ওবায়েদ বলেন, ‘বাংলাদেশ এখন একটি নতুন যাত্রা শুরু করেছে। আমরা অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে চাই। এখানে বিনিয়োগের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সবসময় বিনিয়োগকারীদের পাশে আছে।’
হুমায়ুন কবির বলেন, ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট মানে বাংলাদেশের স্বার্থ দেখা, সেটা অর্জন করা। দ্বিপক্ষীয়, বহুপক্ষীয় পক্ষের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করতে চাই। বাংলাদেশ যাতে বিনিয়োবান্ধব হয়।’
আরও পড়ুন:
সরকারের সব কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহাদী আমিন।
আর এনবিআর চেয়ারম্যান জানান, দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে কর ব্যবস্থাকে আরও জনবান্ধব করতে কাজ করছে সরকার।




