খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এবার ঈদুল আজহায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১ লাখ ৬৯ হাজার কুরবানির পশুর চাহিদা ছিলো। জেলার প্রায় ১৫ হাজার খামারি কুরবানির পশু লালনপালন করেন। গতকাল ঈদুল আজহার দিন দুপুরের পর থেকেই শহরের টি. এ. রোডে চামড়া নিয়ে আসতে থাকেন মৌসুমি চামড়া ব্যবসায়ীরা। তবে ক্রেতা না আসায় বিপাকে পড়েন চামড়া বিক্রেতারা। সারা রাত অপেক্ষা করেও ক্রেতা সংকটে চামড়া বিক্রি করা যায়নি।
অনেকেই চামড়া নিয়ে শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরতে থাকেন বিক্রির জন্য। কিন্তু ক্রেতা না থাকায় বিক্রি করতে না পেরে সড়কের পাশে স্তূপ করে ফেলে রেখে চলে যান ব্যবসায়ীরা।
আরও পড়ুন:
এদিকে, কাঁচা চামড়া সড়কের পাশে স্তূপ করে ফেলে রাখায় দুর্গন্ধ ছড়ানোয় ভোগান্তি বাড়ছে পথচারীদের।
কয়েকজন মৌসুমি ব্যবসায়ী জানান, ৫০০ টাকায় কেনা চামড়ার দাম ২০০ টাকাও উঠছে না। ফলে এবার চামড়া কিনে বড় রকমের লোকসানের মুখে পড়েছেন তারা। তাই বাধ্য হয়েই চামড়া সড়কের পাশে ফেলে রেখে চলে গেছেন। মূলত সরকারের নজরদারির অভাবে চামড়া ব্যবসা সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।




