পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি আসনের মধ্যে ২৯৩টির প্রাথমিক গণনায় দেখা যাচ্ছে, বড় ধরনের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন। সবশেষ খবর অনুযায়ী, বিজেপি ১৯২টি আসনে এগিয়ে থেকে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিকে এগোচ্ছে। বিপরীতে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে মাত্র ৯৪টি আসনে। ব্যবধান ১০০ ছুঁইছুঁই হওয়ায় বিজেপি শিবিরে উল্লাস শুরু হয়েছে।
স্লোগান যুদ্ধের অংশ হিসেবে বিজেপি তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বার্তা দিয়েছে ‘খেলা শেষ’। তবে দমে যাননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি গণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলে নেতাকর্মীদের ‘বাঘের বাচ্চার মতো লড়াই’ করার আহ্বান জানিয়েছেন। মমতার দাবি, সূর্যাস্তের পর ফলাফল পাল্টে যাবে।
আরও পড়ুন:
তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে এবারের প্রধান আকর্ষণ দক্ষিণী মেগাস্টার থালাপতি বিজয় (জোসেফ বিজয়)। তার নবগঠিত দল ‘তামিলাগা ভেটরি কাজাগাম’ (টিভিকে) প্রথম নির্বাচনে অংশ নিয়েই বড় দুই দ্রাবিড় পরাশক্তি ডিএমকে ও এআইএডিএমকে-কে পেছনে ফেলে দিয়েছে।
টিভিকে এগিয়ে: ১০১টি আসনে।
এআইএডিএমকে জোট: ৭৮টি আসনে।
ডিএমকে জোট: ৫০টি আসনে।
বিজয় নিজে পেরাম্বুর ও তিরুচিরাপল্লি (পূর্ব) আসন থেকে লড়ছেন। নিজেকে ‘তামিল পরিবারের সদস্য’ হিসেবে তুলে ধরে তিনি যে ‘হুইসেল রেভল্যুশন’ বা শিস বিপ্লবের ডাক দিয়েছিলেন, তার ফল এখন ব্যালটে প্রতিফলিত হচ্ছে। যদিও বর্তমান উপ-মুখ্যমন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিন বিষয়টিকে কটাক্ষ করেছেন, কিন্তু বিজয়ের জয়যাত্রা তামিল রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণের জন্ম দিচ্ছে।
আরও পড়ুন:
উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামে টানা তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় বসার পথে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। ১২৬টি আসনের মধ্যে ৯৬টিতেই এগিয়ে রয়েছে তারা। এর মধ্য দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও জনপ্রিয়তারই প্রতিফলন দেখছেন বিশ্লেষকরা।
অন্যদিকে, কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ‘ইনডিয়া’ জোট মাত্র ২৬টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। রাজ্যের প্রায় ৪০ শতাংশ মুসলিম ভোটারের সমর্থন থাকা সত্ত্বেও বিরোধী জোট এবার বিজেপির ‘উন্নয়ন ও সুশাসন’ নীতির সামনে বড় কোনো চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারেনি।
আরও পড়ুন:
পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে বিজেপির অভাবনীয় সাফল্য এবং তামিলনাড়ুতে বিজয়ের উত্থান ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করছে। চূড়ান্ত ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হতে সন্ধ্যা পর্যন্ত সময় লাগতে পারে, তবে প্রাথমিক প্রবণতা বলছে, ভারতের মানচিত্রে পরিবর্তনের হাওয়া এখন প্রবল।





