নিহত শ্যামল বিশ্বাস ওই গ্ৰামের রাজেশ্বর বিশ্বাসের ছেলে। এসময় ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে ছুরির আঘাতে গুরুতর আহত হন নিহতের মা মিনতি বিশ্বাসও। তিনি বর্তমানে ভাঙ্গা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানান, বাড়ির সীমানায় একটি নারিকেল গাছ নিয়ে উভয় পরিবারের মধ্যে বিরোধ ছিলো। আজ বিকেলে শ্যামল বিশ্বাস ওই নারিকেল গাছ থেকে নারিকেল পাড়তে উঠেছিলো। এসময় তারই আপন চাচাতো ভাই নিখিল বিশ্বাস বাঁধা দিলে উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। এক পর্যায়ে নিখিল বিশ্বাস ও তার ভাইয়েরা মিলে তাকে ছুরিকাঘাত করে। এসময় শ্যামল বিশ্বাসের মা মিনতি বিশ্বাস গুরুতর আহত হন।
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা হাসপাতালে আনলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শ্যামল বিশ্বাসকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে আমরা মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নিয়ে আসি। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে ঘাতকদের আটকের জন্য এরই মধ্যে পুলিশ মাঠে কাজ করছে।’
নিহত শ্যামল বিশ্বাসের মা মিনতি বিশ্বাস বলেন, ‘বেশ কিছুদিন ধরেই ওরা আমার ছেলেকে মেরে ফেলার চেষ্টা করছে। আজ নারিকেল পাড়ার বিষয়টিকে কেন্দ্র করে ওরা সব কয় ভাই মিলে আমার ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা করে।’





