মুজতবা খামেনি বলেন, ‘আমেরিকার পুতুল ঘাঁটিগুলোর এমনকি নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সক্ষমতাও নেই। তাই এই অঞ্চলের যারা আমেরিকার ওপর নির্ভরশীল এবং তাদের ভালোবাসে, তাদের নিরাপত্তা আমেরিকা দেবে—এমন আশা করা বৃথা।’ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে ট্রাম্প প্রশাসন চাইলেও তেহরান তাদের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস হতে দেবে না।
তিনি বলেন, ‘ইরানের জনগণ দেশের এই সমরশক্তিকে তাদের জাতীয় সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করে এবং তারা জল, স্থল ও আকাশসীমার মতো এই সম্পদকেও কঠোরভাবে রক্ষা করবে।’
ঐতিহাসিক ঘটনার প্রেক্ষাপট টেনে তিনি আরও বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি গত কয়েক শতাব্দী ধরে ‘অনেক শয়তানের লোভ’ জাগিয়েছে।’
১৬২২ সালে পর্তুগিজদের বিতাড়নের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, ‘ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে ইরানি বাহিনী যে সাহস ও দেশপ্রেম দেখিয়েছে, তা বিশ্ববাসী দেখেছে।’
তিনি ভবিষ্যৎবাণী করেন যে পারস্য উপসাগরের ভবিষ্যৎ হবে ‘আমেরিকা মুক্ত’ এবং এই অঞ্চলের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি কেবল স্থানীয় জনগণের মাধ্যমেই আসবে।





