পরিত্যক্ত স্টেডিয়ামে ফিরবে খেলা, চট্টগ্রামের আউটফিল্ড নিয়েও আশার বাণী বিসিবির

গ্রাউন্ডস কমিটির প্রধান রফিকুল ইসলাম বাবু
গ্রাউন্ডস কমিটির প্রধান রফিকুল ইসলাম বাবু | ছবি: এখন টিভি
0

চট্টগ্রাম স্টেডিয়ামের আউটফিল্ড সমস্যা সমাধানে সবকিছুই করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিসিবির গ্রাউন্ডস কমিটির প্রধান রফিকুল ইসলাম বাবু। সেই সঙ্গে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা ফতুল্লা স্টেডিয়াম এবং বগুড়া স্টেডিয়ামেও খেলা ফেরানোর আশ্বাস তার। সেই সঙ্গে খতিয়ে দেখতে চান আগের কমিটির গ্রাউন্ডসের সব কাজ।

ঘাসের রঙ সবুজের পরিবর্তে হয়েছে ধূসর। দেখে বোঝার উপায় নেই, এটি দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ক্রিকেট স্টেডিয়াম।

চট্টগ্রামের উইকেট নিয়ে ক্রিকেটারদের মধ্যে আগ্রহ থাকলেও বিসিবি যেন উদাসীন এই মাঠের উন্নয়নে। সাবেক দুই পরিচালক শানিয়ান তানিম এবং এম নাজমুল ইসলামের দ্বন্দ্বটাও সেদিকেই ইঙ্গিত করে।

চট্টগ্রামের আউটফিল্ডে প্রাণ ফেরাতে ঠিক কি পরিমাণ পানি প্রয়োজন, তা নিয়েই দ্বন্দ্বে সাবেক দুই পরিচালক। তবে অ্যাডহক কমিটির হয়ে গ্রাউন্ডসের দায়িত্বে থাকা রফিকুল ইসলাম বাবু জানালেন, সঙ্কট সমাধানে সব কিছুই করবে বিসিবি। এরইমধ্যে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে প্রধান কিউরেটর টনি হেমিংকে।

গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘জাতীয় স্বার্থে পানি নিয়ে দ্বন্দ্ব থাকবে কেন? যত লাগবে সেটাই দেবো। আমাদের প্রধান কিউরেটর টনি হেমিংসকে আমি বলেছি যে তুমি এটার দায়িত্ব নাও কিভাবে এটা আবার ঠিক করা যায় সুন্দর করে। মিরপুর মাঠটাও নষ্ট হয়ে গিয়েছিল সেটাকেও ঠিক করেছে সে।’

আরও পড়ুন:

এদিকে, গেল প্রায় দুই দশক ধরে বেহাল দশায় একসময়ের জনপ্রিয় টেস্ট ভেন্যু বগুড়ার শহিদ চান্দু স্টেডিয়াম এবং ফতুল্লা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। আপাতত কিছুটা সময় লাগলেও এই দুটি মাঠেই খেলা ফেরাতে চান রফিকুল ইসলাম বাবু।

রফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করবো যেমন বগুড়া মাঠকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফিরে আনার জন্য অনেক কাজ করতে হবে। ফতুল্লা মাঠে ভিজিট করব সেখানে যেয়ে আমরা দেখবো যে এটার কেন এরকম অবস্থা হয়েছে।’

বিগত কমিটির গ্রাউন্ডসের প্রধান খালেদ মাসুদ পাইলট সারাদেশে পিচ তৈরির পরিকল্পনায় উপস্থাপন করেছিলেন ৯৫ কোটি টাকার বাজেট। তবে অ্যাডহক কমিটি খতিয়ে দেখতে চায় এই পরিকল্পনার আদ্যোপান্ত।

রফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, ‘তারা কতগুলি পিচ কোথায় কোথায় করছে সেটার যৌক্তিকতা আছে নাকি এবং সেটা দেশের স্বার্থে করা হচ্ছে নাকি সেগুলো আমি খতিয়ে দেখবো। যদি দেশের স্বার্থে করা হয়ে থাকে এরকম কিছু থাকে তাহলে সেটা কন্টিনিউ করবো, যদি স্বার্থের বাইরে থাকে তাহলে এগুলি ডিসকন্টিনিউ করবো।’

বিসিবির গ্রাউন্ডস কমিটির প্রধান বিশ্বাস করেন, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী এক বছরের মধ্যেই দেশের ক্রিকেটে আরও অন্তত ৪টি আন্তর্জাতিক স্ট্যাটাসপ্রাপ্ত স্টেডিয়াম যুক্ত হবে।

ইএ