গাজাজুড়ে ইসরাইলি বাহিনীর অব্যাহত হামলা ও বিশেষ অভিযানের মধ্যেই তাকে হত্যার এই দাবি সামনে এলো। বর্তমানে গাজার আকাশসীমায় ইসরাইলি ড্রোনের টহল এবং কথিত ‘ইয়েলো লাইন’ বা হলুদ রেখা সংলগ্ন এলাকায় কোয়াডকপ্টারের নজরদারি বহুগুণ বেড়েছে। ইসরাইলি সামরিক বাহিনী ইতিমধ্যে গাজা উপত্যকার প্রায় ৬৪ শতাংশ এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে বলে জানা গেছে।
হামাসের সামরিক নেতৃত্বে আল-হাদ্দাদ অত্যন্ত প্রভাবশালী ও জ্যেষ্ঠ স্তরের নেতা ছিলেন। তার এই সম্ভাব্য নিহতের ঘটনা কাসাম ব্রিগেডের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় কোনো প্রভাব ফেলবে কি না, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে যুদ্ধ চলাকালীন এমন বড় মাপের নেতার মৃত্যু গোষ্ঠীটির মাঠ পর্যায়ের লড়াইয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।





