নাম প্রকাশ না করার শর্তে আল জাজিরাকে পাকিস্তানের উচ্চপদস্থ দুটি নিরাপত্তা সূত্রের জানায়, তিনটি বিষয় বিবেচনায় তারা এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন।
১. মার্কিন সামরিক বিমানের অবতরণ: পাকিস্তানের রওয়ালপিন্ডিতে অবস্থিত নূর খান বিমানঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি বিশাল পণ্যবাহী সামরিক বিমান ‘সি-১৭ গ্লোবমাস্টার’ অবতরণ করেছে। এ ধরনের বিমান সাধারণত উচ্চপর্যায়ের সফরের আগে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ও নিরাপত্তা রসদ বহনে ব্যবহৃত হয়।
২. নিরাপত্তা কড়াকড়ি: বিমানবন্দর থেকে ইসলামাবাদের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ‘রেড জোন’-এ যাওয়ার রাস্তাগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এটি সাধারণত কোনো রাষ্ট্রীয় অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির (ভিভিআইপি) চলাচলের আগাম ইঙ্গিত।
৩. হোটেল খালি করার নির্দেশ: ইসলামাবাদের অভিজাত হোটেল সেরেনা ও ম্যারিয়ট থেকে বর্তমান অতিথিদের সরিয়ে নেয়া হচ্ছে এবং আগামী শুক্রবার পর্যন্ত নতুন কোনো বুকিং নেয়া হচ্ছে না। উল্লেখ্য, গত ১১ এপ্রিল দুই দেশের মধ্যে প্রথম দফার আলোচনা এই সেরেনা হোটেলেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, হরমুজ প্রণালি ও নৌ-অবরোধ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে চরম উত্তেজনার মধ্যেই এই বৈঠকের তোড়জোড় শান্তি প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আগামী ২২ এপ্রিল বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর লক্ষ্যেই এই দ্বিতীয় দফার বৈঠকের আয়োজন করা হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


 founder Abhijeet Dipke-320x167.webp)


