
পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পর এবার কিয়েভে মার্কিন দূতেরা
ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানে শান্তি আলোচনার অংশ হিসেবে আজ (রোববার, ৬ সেপ্টেম্বর) কিয়েভ সফরে যাচ্ছেন মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার। রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার অভিযান শুরুর পর দেশটির রাজধানীতে এটিই তাদের প্রথম সফর। আবর নিউজ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতার সুযোগ দেখছেন পুতিন; শান্তিশ্রয়ী নতুন গতির প্রত্যাশা কিয়েভের
ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে একটি সমঝোতায় পৌঁছানোর সুযোগ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। অন্যদিকে শান্তি আলোচনায় নতুন গতি সঞ্চারের প্রত্যাশার কথা জানিয়েছে কিয়েভ। দীর্ঘ সাড়ে চার বছরের রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পর এই প্রথম দুই দেশের শীর্ষ পর্যায় থেকে একসঙ্গে শান্তির সম্ভাবনা নিয়ে ইতিবাচক ইঙ্গিত মিললো। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানা গেছে।

ইউক্রেন যুদ্ধে শান্তি আলোচনার ইঙ্গিত পুতিনের
কৌশলগত, সামরিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে পিছিয়ে পড়ায় ইউক্রেন যুদ্ধে শান্তি আলোচনার ইঙ্গিত দিচ্ছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। অনেক বিশ্লেষক একে ক্রেমলিনের চাল হিসেবে এড়িয়ে যেতে চাইলেও আল জাজিরার বিশ্লেষণ বলছে, যুদ্ধের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে মস্কো এখন ব্যাকফুটে। কারণ, চার বছরের বেশি সময় সংঘাতের পর এই প্রথম বিজয়ের আত্মবিশ্বাস অর্জন করেছে ইউক্রেন।

ইউক্রেন যুদ্ধের মোড় পরিবর্তন; খাদের কিনারে রুশ অর্থনীতি, শান্তিতে আগ্রহী মস্কো
শত শত বছর ধরে ‘ইউরাল পর্বতমালার ওপার’ বলতে রাশিয়ায় নিরাপদ আশ্রয়ের কথা বোঝানো হতো। কিন্তু গত এপ্রিলের শেষে ইউক্রেনীয় ড্রোনের একটি ঝাঁক সীমান্ত থেকে ১ হাজার ৮০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ইয়েকাতেরিনবুর্গ শহরে আঘাত হানার পর সেই ধারণা পাল্টে গেছে। রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার যন্ত্রাংশ তৈরির একটি কারখানায় এই হামলা চালানো হয়। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

হরমুজ প্রণালিতে টোল চাওয়া হবে না বলে যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়েছে ইরান: ট্রাম্প
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজগুলোর কাছ থেকে কোনো ধরনের ‘টোল’ বা মাশুল আদায় করা হবে না বলে ইরান যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়েছে। আজ (বুধবার, ২৪ জুন) মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছেন। মিডল ইস্ট আইয়ের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

সমঝোতায় রাজি হলেও হচ্ছে না চুক্তি, চীনের হস্তক্ষেপ চায় ইরান
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ
শান্তি আলোচনার জন্য ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির একটি সমঝোতা করতে রাজি হলেও, এখনই চুক্তি হচ্ছে না ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে। উল্টো, ট্রাম্পের দাবি, সমঝোতা টেবিলের সব কার্ড ওয়াশিংটনের হাতে। চুক্তি না হলে তেহরানের ওপর অপ্রতিরোধ্য ক্ষমতা প্রয়োগের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বিপরীতে, সম্ভাব্য এই চুক্তির গ্যারান্টর হিসেবে চীনের হস্তক্ষেপ চায় ইসলামি প্রজাতন্ত্রটি।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় আস্থা রাখতে পারছেন না ইরান
যুদ্ধবিরতির মধ্যে বিনা উসকানিতে হামলা করায় শান্তি আলোচনার ওপর পুরোপুরি আস্থা রাখতে পারছে না ইরান। তেহরানের দাবি, ওয়াশিংটনকে আর কোনোভাবেই বিশ্বাস করা যায় না।

চুক্তির জন্য মরিয়া ইরান— দাবি ট্রাম্পের
দুই থেকে তিনদিনের মধ্যে ইরান চুক্তিতে না পৌঁছালে দেশটিতে পুনরায় হামলার হুমকি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর হোয়াইট হাউজে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ট্রাম্প দাবি করেন, চুক্তির জন্য মরিয়া ইরান। একারণে শিগগিরই ইরান সংঘাত শেষ হবে বলেও দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ওয়াশিংটন পথ বদলালে আলোচনায় ফিরতে রাজি তেহরান
যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের ‘অতিরিক্ত খবরদারি এবং হুমকিমূলক ভাষা’ বন্ধ করে, তবেই তেহরান পুনরায় আলোচনার টেবিলে ফিরতে রাজি আছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। গতকাল (শুক্রবার, ১ মে) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আনাদুলু প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা; পর্দার আড়ালে দূতিয়ালি করছে পাকিস্তান
সরাসরি বৈঠক থমকে গেলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তিতে পৌঁছাতে পর্দার আড়ালে ‘ব্যাকচ্যানেল’ বা গোপন দূতিয়ালি চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান। বিশ্ব অর্থনীতি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার স্বার্থে ইসলামাবাদ দুই দেশের মধ্যে বার্তার আদান-প্রদান অব্যাহত রেখেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা। দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে মার্কিন আলোচকেরা: হোয়াইট হাউস
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, যুদ্ধের ডামাডোলের মধ্যে ইরান যখন তাদের ‘নেতৃত্ব সংকটের সমাধান করতে হিমশিম খাচ্ছে’, তখনো মার্কিন আলোচকেরা তেহরানের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

অবরোধের মাঝেও ৪০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রপ্তানি ইরানের
চলমান মার্কিন অবরোধের মাঝেও ৪০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বিদেশে রপ্তানি করেছে ইরান। এছাড়াও, বিক্রির জন্য আরও ৪৬ লাখ ব্যারেল তেল ইরানের রপ্তানি টার্মিনালগুলোতে লোড করা হচ্ছে। তবে শান্তি আলোচনা নিয়ে উদ্বেগ বাড়তে থাকায় বিশ্ববাজারে আরেক দফা বাড়লো তেলের দাম। প্রায় ২ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি অপরিশোধিত জ্বালানির দাম ১০৮ ডলার ছাড়িয়েছে। এদিকে, আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থার পূর্বাভাস, ফুয়েল সংকটের কারণে মে মাসের শেষ নাগাদ ইউরোপে ফ্লাইট বাতিলের হিড়িক পড়তে পারে।