গ্রাহকদের অভিযোগ, দিনে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিশেষ করে প্রচণ্ড গরমে বিদ্যুৎ না থাকায় শিশু ও বৃদ্ধদের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। ফলে হাসপাতালে বাড়ছে শিশু ও বৃদ্ধ রোগীর সংখ্যা।
রাজশাহী নগরীর উপ-শহর এলাকার একজন বাসিন্দা বলেন, ‘রাতে বারবার বিদ্যুৎ চলে যায়। বাচ্চারা ঘুমাতে পারে না, আমরাও অসহ্য গরমে কষ্ট পাচ্ছি।’
আরও পড়ুন:
রাজশাহীর পবা, গোদাগাড়ী ও দূর্গাপুর উপজেলায় বিদ্যুৎ না থাকায় সেচ কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এতে করে বোরো ধানসহ বিভিন্ন ফসল চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। লোডশেডিং কমিয়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করার দাবি সাধারণ মানুষদের।
জেলার একজন কৃষক বলেন, ‘দিনের বেশিরভাগ সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। আমাদের জমিতে এখন পানি প্রয়োজন। সেচ পাম্প চালাতে না পারায় জমিতে পানি দিতে পারছি না। এভাবে চললে ফসল নষ্ট হয়ে যাবে।’





