সামরিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, ‘দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর অগ্রযাত্রা আপাতত থমকে গেলেও তারা ইতিমধ্যে তাদের লক্ষ্য অনেকটা অর্জন করে ফেলেছে। ইসরাইল সীমান্ত থেকে লেবাননের ভেতরে অন্তত ১০ কিলোমিটার পর্যন্ত একটি ‘হলুদ নিরাপত্তা বলয়’ তৈরি করেছে।’ বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে ওই এলাকায় ট্যাঙ্কবিধ্বংসী গোলাবর্ষণ নিয়ন্ত্রণ করা এবং লেবাননের ভেতরে ভারি কামান ও সাঁজোয়া যান মোতায়েন রাখা ইসরাইলের জন্য সহজ হবে।
ইসরাইলের দাবি অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্তানুসারে তারা লিতানি নদী পর্যন্ত ড্রোন ও যুদ্ধবিমান ওড়ানোর অনুমতি পাবে, যা ওই এলাকায় একটি সুরক্ষিত আকাশসীমা নিশ্চিত করবে। অর্থাৎ মাঠপর্যায়ে ইসরাইল বড় ধরনের আঞ্চলিক সুবিধা আদায় করে নিয়েছে।
আরও পড়ুন:
এদিকে ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলীয় সীমান্ত সংলগ্ন জনপদগুলোর বাসিন্দারা এই যুদ্ধবিরতির তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তাদের মতে, এটি কেবল ইরান নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কাছেও মাথানত করা। অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহুর উচিত ছিল সরাসরি দেশের মানুষের কাছে এই যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলা; কিন্তু তারা বিষয়টি শুনেছেন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রচণ্ড চাপ সত্ত্বেও ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বেনইয়ামিন নেতানিয়াহুর ব্যক্তিগত সম্পর্কে কোনো চির ধরায়নি। নেতানিয়াহু এখনো ট্রাম্পকে তার ‘বন্ধু’ হিসেবে সম্বোধন করছেন এবং তার সম্পর্কে খোলামেলা প্রশংসা করছেন। বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তিতে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে ট্রাম্পের সঙ্গে নেতানিয়াহুর বোঝাপড়া বড় ভূমিকা পালন করেছে।





