মুজতবা খামেনি বলেন, ‘ইরান সত্যের পথে থাকা যোদ্ধা ও আত্মত্যাগী সশস্ত্র বাহিনী মিলে এমন এক শক্তিশালী ফ্রন্ট গঠন করেছে, যাদের সংকল্প সন্ত্রাস ও অপরাধ ভাঙতে পারে না।’
তার এ বক্তব্য লিখিত বিবৃতি আকারে এসেছে। ইরান যুদ্ধের শুরুতেই তার বাবা দেশটির তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। তিনি নিহত হওয়ার পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হন তার ছেলে মুজতবা খামেনি। ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি জনসমক্ষে আসেননি।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথভাবে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। তখন থেকে ইরানের বহু জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক ও সামরিক কর্মকর্তাকে নিশানা করে হামলা চালানো হচ্ছে। এতে ইরানের অনেক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সামরিক কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।
আইআরজিসির গোয়েন্দাপ্রধান সম্পর্কে মুজতবা খামেনি বলেন, ‘মাজিদ খাদেমি ইরানের নিরাপত্তা, গোয়েন্দা ও প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে নীরবে, নিষ্ঠার সঙ্গে কয়েক দশক কাজ করেছেন।’





