বাসাইল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আশরাফুল ইসলামের নের্তৃত্বে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারে দীর্ঘ দুই মাসের চেষ্টার পর অভিযান পরিচালনা করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তাররা হলেন— কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলার পাত্রখাতা চৌকিদারপাড়া এলাকার আবদুল শেখের ছেলে সবুজ মিয়া (৩৬) ও আযহার মন্ডলের ছেলে জহিরুল ইসলাম (৩৯)। তাদের কাছ থেকে একটি পুরাতন লুণ্ঠিত মোবাইলফোন ও লুঙ্গি উদ্ধার করা হয়।
এর আগে, গত ২৭ জানুয়ারি সকালে উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের ঘোষাখালী গ্রামে নিজ ঘর থেকে মোতাহার সিকদার ওরফে ঠান্ডু (৭৫) ও তার স্ত্রী রেজিয়া বেগমের (৬৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন:
জানা যায়, উপজেলার ঘোষাখালী গ্রামের বাসিন্দা মোতাহার সিকদার চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি কৃষি জমিতে ধানের চারা রোপন করার জন্য অজ্ঞাত দু’জন শ্রমিক আনেন বাড়িতে। ওই দিন রাতে ঘরের বারান্দায় শ্রমিকদের ঘুমানোর জন্য জায়গা দেয়া হয়, আর বৃদ্ধ দম্পতি ঘরের ভেতরে ঘুমান। পরে ২৭ জানুয়ারি রাতের কোনো এক সময় ঘরের টিন কেটে দরজা খুলে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে শ্রমিকরা।
এসময় বৃদ্ধ দম্পতিকে স্বাসরোধ করে হত্যার পর নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে পালিয়ে যায় তারা। এ ঘটনায় বাসাইল থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। এরপর পুলিশ হত্যার রহস্য উদঘাটনে মাঠে নামে।
বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর কবির বলেন, ‘তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হলে তারা স্বেচ্ছায় আদালতে ১৬৪ ধারা মোতাবেক জবানবন্দি দিয়েছে। তারা প্রথমে রেজিয়া বেগমকে ও পরে তার স্বামী মোতাহার সিকদারকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।’





