তিনি জানান, ভূমিকম্পের মতো বড় দুর্যোগে দ্রুত উদ্ধারকাজ পরিচালনার জন্য বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সমন্বয়ে এই স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
একই দিনে দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলেও জানান তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ‘ভূমিকম্পের পর দুর্গতদের দ্রুত সরিয়ে নেয়া এবং সাময়িক আশ্রয়ের জন্য ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকায় ৪৪৫টি স্থানকে ‘‘আশ্রয়কেন্দ্র’’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।’
আরও পড়ুন:
তিনি আরও জানান, এসব কেন্দ্র দুর্যোগের সময় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের দ্রুত স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হবে।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় শুধু উদ্ধারকারী দল নয়, সাধারণ মানুষের সচেতনতা বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার বলে জানান মন্ত্রী। এ লক্ষ্যে স্কুল-কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ভূমিকম্প সচেতনতা বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের মানসিক প্রস্তুতি ও সঠিক পদক্ষেপ শেখাতে শিক্ষা কারিকুলামে ভূমিকম্প বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়েও আলোচনা চলছে।’ ছোটবেলা থেকেই নাগরিকদের দুর্যোগ বিষয়ে সচেতন করাই সরকারের লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।





