বোরুজেরদি জানান, প্রস্তাবিত এ ‘নতুন ব্যবস্থা’র অধীনে ইরানের অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ ওই প্রণালি দিয়ে চলাচল করতে পারবে না।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ইরান এ প্রণালিতে ট্রানজিট টোল বা যাতায়াত শুল্ক আরোপ করার কথাও ভাবছে।
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘যেহেতু নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং চলাচলকারী জাহাজগুলোকে পরিষেবা প্রদানের ক্ষেত্রে খরচ হয়, তাই এ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতের জন্য ট্রানজিট টোল সংগ্রহের একটি কাঠামো তৈরি করতে হবে।’
এ ছাড়াও তিনি বলেন যে, ‘ইরানের পরমাণু অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি বা এনপিটি থেকে বেরিয়ে আসার সময় এসে গেছে।’ তার মতে, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ইরানের পরমাণু স্থাপনায় হামলা করার পর এ চুক্তির প্রাসঙ্গিকতা আর থাকে না।





