আজ (সোমবার, ৩০ মার্চ) সংসদে সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. আখতারুজ্জামান মিয়ার এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
অর্থমন্ত্রী জানান, পূর্ববর্তী সরকারের নেয়া ৫০০টিরও বেশি প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ১০ শতাংশেরও কম। সেই সঙ্গে প্রায় ১ হাজার ৩০০টি প্রকল্প বর্তমানে পর্যালোচনার আওতায় রয়েছে। যেখানে অপচয় ও দুর্নীতির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘এ তথ্য সরকারি নথির ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে এবং যেহেতু প্রকল্পগুলো পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে নেয়া, তাই এ বিষয়ে মন্তব্য করার সুযোগ সীমিত।’
তবে অর্থমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘বর্তমান সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনার আওতায় নেয়া প্রকল্পগুলো গ্রামীণ অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করা এবং গ্রামীণ জনগণের জীবনমান উন্নয়নে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছে।’
আরও পড়ুন:
তিনি বলেন, ‘আমরা যদি গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করতে চাই এবং গ্রামীণ জনগণের জীবনমান উন্নয়ন করতে চাই, তাহলে প্রথম অগ্রাধিকার হতে হবে গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন।’
মন্ত্রী বলেন, ‘সরকার বাস্তবমুখী ও জনবান্ধব প্রকল্প গ্রহণে কাজ করছে। যা সরাসরি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর উপকারে আসবে এবং দেশের টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সংসদ সদস্যরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কাছে উন্নয়ন প্রস্তাব উত্থাপন করতে পারেন এবং কোনো প্রকল্প স্থানীয় জীবনমান উন্নয়ন ও জীবিকা বৃদ্ধির জন্য উপযোগী ও কার্যকর হলে তা ভবিষ্যতে বাস্তবায়নের জন্য বিবেচনা করা হবে।’
মন্ত্রী আশা প্রকাশ করে জানান, কার্যকর প্রকল্প বাস্তবায়ন ও গ্রামীণ উন্নয়ন উদ্যোগের মাধ্যমে আগামী দিনগুলোতে আরও ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক সংবাদ দেয়া সম্ভব হবে।





