আজ (রোববার, ২৯ মার্চ) এক্সে দেয়া পোস্টে সিপান হামো বলেন, ‘আজকের আগে আমাদের ভূখণ্ডে অবস্থিত কাসরাকের মার্কিন ঘাঁটিতে ইরাকি ভূখণ্ড থেকে ছোড়া চারটি ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়।’ তিনি বলেন, ‘কোনো হতাহত ছাড়াই ড্রোনগুলো ভূপাতিত করা হয়েছে।’
সিপান হামো আরও বলেন, ‘আমরা ইরাককে দায়ী করছি এবং আমাদের স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলে—এমন হামলা পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে দেশটিকে আহ্বান জানাচ্ছি।’
এই হামলার এক দিন আগে সিরিয়ার সেনাবাহিনী জানিয়েছিল, ইরাক থেকে ছোড়া ড্রোন দিয়ে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের আল-তানফ ঘাঁটি লক্ষ্য করে আরেকটি হামলা প্রতিহত করা হয়েছে। ওই ঘাঁটিতে আগে যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা অবস্থান করতো।
আরও পড়ুন:
চলতি সপ্তাহের শুরুতে সিরিয়ার সামরিক বাহিনী জানায়, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আরেকটি ঘাঁটি ইরাক থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্য হয়েছিল। এক ইরাকি কর্মকর্তা বলেন, স্থানীয় একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী এর পেছনে ছিল। ওই হামলার ঘটনায় ইরাক চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ইরানে হামলার পর শুরু হওয়া যুদ্ধে ইরাকও টেনে আনা হয়েছে এবং সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যের বড় অংশে ছড়িয়ে পড়েছে। তেহরানঘনিষ্ঠ ইরাকি গোষ্ঠীগুলো ইরাকসহ অঞ্চলজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থসংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দায় নিয়েছে। আবার এসব গোষ্ঠীকেও লক্ষ্য করে হামলা হয়েছে।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী আল-তানফ ঘাঁটি এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় হাসাকাহ প্রদেশের শাদাদি থেকে সরে গেছে। একই প্রদেশের কাসরাক ঘাঁটি থেকেও তারা সরে যেতে শুরু করেছিল বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।





