ফিলিপিন্সের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র জানান, প্রয়োজনীয় জ্বালানি, খাবার, ওষুধ, কৃষি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সঠিকভাবে সরবরাহ, বিতরণ নিশ্চিতে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘জাতীয় জ্বালানি জরুরি অবস্থা ঘোষণার ফলে সরকার বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা এবং অভ্যন্তরীণ অর্থনীতিতে বিঘ্ন ঘটার ফলে সৃষ্ট ঝুঁকিগুলো মোকাবিলা করতে পারবে। এক্ষেত্রে বিদ্যমান আইনের অধীনে কার্যকর ও সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে সক্ষম হবে।’
রয়টার্স প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র-ইউরোপের পাশাপাশি দক্ষিণ পূর্ব এশিয়াও হরমুজ প্রণালি দিয়ে আসা জ্বালানি তেলের ওপর নির্ভরশীল। অভিযোগ রয়েছে ইরান বর্তমানে তাদের মিত্র ছাড়া বাকিদের তেলবাহী জাহাজ চলাচলে বাধা দিচ্ছে।
পারস্য উপসাগর থেকে ফিলিপিন্সের প্রায় ৮০ শতাংশ অপরিশোধিত জ্বালানি তেল হরমুজ প্রণালি হয়ে আসে। এ কারণে সংশ্লিষ্টদের অভিমত তিনপক্ষের এ যুদ্ধের কারণে দেশটির অর্থনীতি ও খনিজ সম্পদ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা জ্বালানি তেলের ওপর বেশি নির্ভরশীল দেশগুলোর মধ্যে ফিলিপিন্স অন্যতম। সম্প্রতি দেশটি গত পাঁচ বছরের মধ্যে রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল আমদানির উদ্যোগ নিয়েছিল।





