মার্কিন হুঁশিয়ারি উপেক্ষা করে ইসরাইলে ইরানের ব্যাপক হামলা; মধ্যপ্রাচ্যে সর্বাত্মক যুদ্ধের শঙ্কা

ইরানের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
ইরানের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা | ছবি: সংগৃহীত
0

মার্কিন হুঁশিয়ারির তোয়াক্কা না করেই যুদ্ধের ১৬তম দিনে ইসরাইলে দফায় দফায় হামলা শুরু করেছে ইরান। ভিন্ন ফ্রন্ট থেকে মধ্য ও দক্ষিণ ইসরাইলে হামলা করছে লেবাননের হিজবুল্লাহও। আর উপসাগরীয় দেশগুলোতে হামলার পাশাপাশি তেল বন্দরে আশেপাশের এলাকা খালি করার নির্দেশ দিয়েছে আইআরজিসি। এর আগে, ইরানের ইসফাহানে বোমা হামলা চালিয়ে ১৫ জনকে হত্যা করেছে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বাহিনী। এদিকে, ট্রাম্প দাবি করছেন, ইরান যুদ্ধবিরতির চুক্তি করতে চায় কিন্তু চুক্তির শর্তগুলো যুক্তরাষ্ট্রের অনুকূলে নয়।

ইসফাহানে ব্যাপক হামলার জবাবে মধ্য ও দক্ষিণ ইসরাইলে তাণ্ডব শুরু করেছে ইরান। দফায় দফায় ছোড়া হচ্ছে ক্ষেপণাস্ত্র। তেহরানের সঙ্গে যোগ দিয়েছে লেবাননের হিজবুল্লাহ। একই সময়ে ভিন্ন ফ্রন্ট থেকে তেল আবিব, হাইফার দিকে হামলা করছে তারা।

আরও পড়ুন:

উপসাগরীয় দেশগুলোর মার্কিন মালিকাধীন জ্বালানি অবকাঠামোও আছে ইরানের নজরে। এরইমধ্যে স্থানীয়দের তেল বন্দরে আশেপাশের এলাকা ছেড়ে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে আইআরজিসি। হামলা হয়েছে সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চল ও দুবাইয়ের মেরিনা ও আল সুফুহ অঞ্চলে। ইরানের অভিযোগ, খারগে হামলায় যুক্তরাষ্ট্র আরব আমিরাতের ঘাঁটি ব্যবহার করেছে। যদিও তা প্রত্যাখ্যান করেছে আমিরাত।

এর আগে, ইরানের ইরানের ইসফাহানে বোমা হামলা করে একদিনেই ১৫ জনকে হত্যা করে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বাহিনী। হামলা হয়েছে তেহরানেও।

এমন প্রেক্ষাপটে, ট্রাম্প দাবি করছেন, ইরান যুদ্ধবিরতির চুক্তি করতে চায় কিন্তু তাদের শর্তগুলো ওয়াশিংটনের স্বার্থ রক্ষা করে না। এছাড়া, হরমুজ প্রণালি দিয়ে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল সচল রাখতে মিত্র দেশগুলোর সহায়তাও চেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যদিও তেহরান বলছে, হরমুজ সবার জন্য বন্ধ নয়। আর যুদ্ধ বন্ধ করতে হলে মার্কিন সেনাদের উপসাগরীয় অঞ্চল ছাড়তে হবে বলেও সাফ জানিয়েছেন আইআরজিসির সাবেক কমান্ডার।

ইএ