প্রথম ম্যাচে ব্যাটে-বলে দাপুটে পারফরম্যান্স করে আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা পাকিস্তানকে একরকম উড়িয়ে দেয় বাংলাদেশ। এই জয়ে স্বাগতিকদের আত্মবিশ্বাস এখন তুঙ্গে। বাকি দুই ম্যাচের যেকোনো একটি জিততে পারলেই সিরিজ নিশ্চিত করবে মেহেদী হাসান মিরাজের দল। পাশাপাশি র্যাঙ্কিংয়েও এক ধাপ এগোনোর সুযোগ থাকবে বাংলাদেশের সামনে।
আগামী বছরের বিশ্বকাপে সরাসরি জায়গা পাওয়ার লক্ষ্যেও এই সিরিজ বেশ গুরুত্বপূর্ণ। তাই ভালো শুরুটা দলের জন্য ইতিবাচক বলেই মনে করছেন অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ।
তিনি বলেন, ‘যেহেতু আমরা গতি দিনের ম্যাচটা উইন হয়েছি, এটা আমাদের জন্য একটা পজিটিভ সাইট। এবছর ওডিআইতে আমাদের অনেক বেশি ম্যাচ। আমাদের র্যঙ্কিং এর একটা ব্যাপার আছে।’
প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ের নায়ক ছিলেন পেসার নাহিদ রানা। আগুনঝরা বোলিংয়ে তুলে নেন পাঁচটি উইকেট। আর অধিনায়ক মিরাজ নিজেও বল হাতে ছিলেন দুর্দান্ত, শিকার করেন তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট।
মেহেদী হাসান মিরাজ বলেন, ‘মাঝখানে বোলিংটা নিয়ে স্ট্রাগল করছিলাম, কিন্তু কোথায় আমার ইমপ্রুভ করতে হবে সেটা আমি ভালো করেই জানি। সেটা নিয়ে আমি কাজ করেছি।’
আরও পড়ুন:
ওয়ানডেতে মুখোমুখি লড়াইয়ে ৪০ বারের দেখায় বাংলাদেশের জয় মাত্র ছয়টিতে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দারুন ছন্দে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচের দারুণ পারফরম্যান্সের পর বাংলাদেশের একাদশে পরিবর্তনের সম্ভাবনা খুব কম। অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ভুগেছে পাকিস্তান। ব্যাটিং লাইনআপ সহজেই ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণের সামনে। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামতে চায় পাকিস্তান। কোচ মাইক হেসন জানিয়েছেন, প্রথম ম্যাচের ভুলগুলো বিশ্লেষণ করে পরের ম্যাচে আরও ভালো পারফরম্যান্স দেখাতে চায় তার দল।
যেহেতু স্পোর্টিং উইকেটে খেলা স্পিনারদের জন্য চ্যালেঞ্জ থাকবে তবে মিরাজের বিশ্বাস নিজের স্ট্রেন্থের উপর বোলিং করতে পারলে ম্যাচে জয় পাওয়া সহজ হবে।
মেহেদী হাসান মিরাজ বলেন, ‘স্পিনার হিসেবে ট্রু উইকেটে বলা করাটা একটু বেশি চ্যালেঞ্জিং। আমার কাছে মনে হয় যে, আমি যদি অবশ্যই ভালো জায়গায় বল করতে পারি তাহলে সাকসেস হওয়ার চান্সটা বেশি থাকবে।’
এখন দেখার বিষয়, দ্বিতীয় ম্যাচেই জয় তুলে নিয়ে সিরিজ নিশ্চিত করতে পারে কি না বাংলাদেশ।





