পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, ‘আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মুছাপুর রেগুলেটর পুনঃনির্মাণ প্রকল্প বিষয়ে কথা বলেছি। তিনি বিষয়টি জানেন, ২০২৪ এর বন্যা রেগুলেটরের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে অবগত বলেই আমাকে প্রধানমন্ত্রী পরিদর্শনে পাঠিয়েছেন। প্রকল্পটি আগামী একনেকে এগিয়ে নেয়া হবে। আশা করি, অতিদ্রুত কাজ শুরু করা হবে।’
তিনি বলেন, ‘মুছাপুর রেগুলেটর শুধু মুছাপুর এলাকার সমস্যা নয়। এটি বৃহত্তর নোয়াখালীবাসীর জন্য সমস্যা। এ সমস্যা ২০০৩ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া চিহ্নিত করেছিলেন বলেই ২০০৫ সালে তিনি নিজেই মুছাপুর রেগুলেটর প্রকল্পের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করেছেন।’
আরও পড়ুন:
শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, ‘মুছাপুর রেগুলেটর ২০২৪ সালে ভারতীয় নদীর উজানের ঢলের পানির তীব্র স্রোতে রেগুলেটরটি বিলীন হয়ে যায়। এরপর থেকে আবার এ উপকূলে সংগ্রাম শুরু হয়ে যায়। মানুষ ঘর বাড়ি নিয়ে লড়াই শুরু করে। আমরা ভয়ে আছি আগামী মে মাসে বর্ষায় কী হবে। এ মুছাপুর রেগুলেটরের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আমারা জেনেছি।’
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।
পরে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বামনী ক্লোজারের কাজ উদ্বোধন করেন।





