খবর পেয়ে প্রক্টরিয়াল বডি ও ইবি থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেলে নিয়ে যান। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আসমা সাদিয়া রুনা মারা যান। এ ঘটনায় আহত বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফজলুর রহমানের অবস্থাও সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছেন কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসকরা।
আরও পড়ুন:
জানা যায়, সম্প্রতি আসমা সাদিয়া রুনা সমাজকল্যাণ বিভাগের চেয়ারম্যান নিযুক্ত হওয়ার পর ফজলুর রহমানকে ওই বিভাগ থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে বদলি করেন। চাকরি জীবনের শুরু থেকে সমাজকল্যাণ বিভাগে কর্মরত ছিলেন। এই থেকে কর্মচারী ফজলুর রহমান শিক্ষক রুনাকে ছুরিকাঘাত করতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
নিহত আসমা সাদিয়া রুনা বিশ্ববিদ্যালয়টির সমাজকল্যাণ বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ এ ঘটনার সঠিক কারণ এখনো নিশ্চিত করে বলতে পারছে না। তবে ঘটনার তদন্তে কাজ করছে পুলিশ।





