অবশেষে অস্ট্রেলিয়া সফরে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আইসিসির এফটিপিতে দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকার পর শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশকে টেস্ট সিরিজের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। প্রায় ২ যুগ পর সাদা পোশাকের বাংলাদেশ দলকে দেখা যাবে অজি ভূমিতে। দুই ম্যাচের সিরিজ খেলতে আগস্টের প্রথম সপ্তাহে তাসমান সাগড়পাড়ের দেশে যাবে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
সবশেষ ২০০৩ সালে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলার সুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ। এ দফায় অবশ্য খেলা হবে শুধুই টেস্ট। ১৩ আগস্ট থেকে ডারউইনে শুরু হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট। আর ২২ আগস্ট থেকে ম্যাককে-তে হবে সিরিজের ২য় টেস্ট। এ সিরিজ দিয়েই এবারে অস্ট্রেলিয়ায় ক্রিকেটীয় মৌসুম শুরু হচ্ছে। ডারউইনে ২০০৪ সালের পর প্রথমবার দেখা যাবে টেস্ট ম্যাচ। আর ম্যাককে স্টেডিয়ামের টেস্ট অভিষেকই হবে বাংলাদেশের এ সিরিজ দিয়ে। অস্ট্রেলিয়ার ১২তম টেস্ট ভেন্যু হবে এটি।
আরও পড়ুন:
যদিও এ সিরিজে সিডনি, মেলবোর্ন কিংবা পার্থের মতো বড় স্টেডিয়ামে খেলার সুযোগ পাচ্ছে না বাংলাদেশ। দর্শক আগ্রহ এবং ম্যাচের দৈর্ঘ্য বিবেচনা করেই এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলেই ধারণা। অস্ট্রেলিয়ার বাউন্সি উইকেটে বাংলাদেশ পুরো ৫ দিন খেলতে না পারলে বড় স্টেডিয়ামগুলোয় টিকিট বিক্রি নিয়ে বেগ পেতে হবে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে। ঝুঁকি এড়াতে তাই ডারউইন কিংবা ম্যাককে স্বাগতিকদের জন্য বড় সুযোগ।
এমনকি অস্ট্রেলিয়ার নিয়মিত ক্রিকেটীয় গ্রীষ্মেও খেলার সুযোগ পাচ্ছে না বাংলাদেশ। যদিও ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া বলছে, আন্তর্জাতিক সূচির সঙ্গে মানিয়ে নিতে এখন থেকে গ্রীষ্মের বাইরেও টেস্ট খেলতে চায় তারা। যার শুরুটা হবে বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ দিয়ে।





