Recent event

পূর্বাঞ্চলে ঈদের ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু ৩ মার্চ

ট্রেনের ছবি
ট্রেনের ছবি | ছবি: সংগৃহীত
0

আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয়। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এক সভায় রেলমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, এবারের ঈদযাত্রায় সিডিউল বিপর্যয় রোধ ও টিকিটবিহীন যাত্রী প্রতিরোধই প্রধান চ্যালেঞ্জ। সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৩ মার্চ থেকে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে ঈদের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে এবং ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু হবে ১৩ মার্চ থেকে।

এসময় নিরাপদ ট্রেন চলাচল নিশ্চিত করতে রেলের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সর্বোচ্চ সতর্কতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনাও দেন রেলমন্ত্রী।

আজ (মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ রেলওয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যাত্রী চাপ সামলাতে দেশের বিভিন্ন রুটে ৮ জোড়া বিশেষ ঈদ স্পেশাল ট্রেন পরিচালনা করার জন্য ওই সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষ ট্রেনগুলো হলো—চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল (১ ও ২): চট্টগ্রাম-চাঁদপুর-চট্টগ্রাম; তিস্তা স্পেশাল (৩ ও ৪): ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ-ঢাকা; শোলাকীয় ঈদ স্পেশাল (৫ ও ৬): ভৈরববাজার-কিশোরগঞ্জ-ভৈরববাজার; শোলাকীয় ঈদ স্পেশাল (৭ ও ৮): ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ-ময়মনসিংহ এবং পার্বতীপুর ঈদ স্পেশাল (৯ ও ১০): জয়দেবপুর-পার্বতীপুর-জয়দেবপুর।

আগামী ৩ মার্চ থেকে আন্তঃনগর ট্রেনের ঈদের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হবে। টিকিট প্রাপ্তি সহজ করতে পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট সকাল ৮টা এবং পূর্বাঞ্চলের টিকিট দুপুর ২টা থেকে ইস্যু করা হবে।

অগ্রিম টিকিট বিক্রির সূচি:

  • ৩ মার্চ বিক্রি হবে ১৩ মার্চের টিকিট
  • ৪ মার্চ বিক্রি হবে ১৪ মার্চের টিকিট
  • ৫ মার্চ বিক্রি হবে ১৫ মার্চের টিকিট
  • ৬ মার্চ বিক্রি হবে ১৬ মার্চের টিকিট
  • ৭ মার্চ বিক্রি হবে ১৭ মার্চের টিকিট
  • ৮ মার্চ বিক্রি হবে ১৮ মার্চের টিকিট
  • ৯ মার্চ বিক্রি হবে ১৯ মার্চের টিকিট

এছাড়া ২০, ২১ ও ২২ মার্চের টিকিট চাঁদ দেখা সাপেক্ষে বিক্রি করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ট্রেনের অগ্রিম ও ফিরতি টিকিট ক্রয় এবং যাত্রীসেবায় বিশেষ কিছু শর্ত ও ব্যবস্থা ঘোষণা করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। ঘোষিত শর্তাবলী অনুযায়ী—

টিকিট ক্রয়ের বিশেষ শর্ত

১. অগ্রিম ও ফিরতি যাত্রার সব টিকিট শতভাগ অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে।

২. একজন যাত্রী অগ্রিম ও ফিরতি যাত্রায় সর্বোচ্চ একবার করে টিকিট কিনতে পারবেন; প্রতিবার সর্বোচ্চ ৪টি টিকিট সংগ্রহ করা যাবে।

৩. ঈদের অগ্রিম ও ফিরতি যাত্রার টিকিট রিফান্ড বা ফেরতযোগ্য নয়।

৪. যাত্রীদের চাহিদার প্রেক্ষিতে যাত্রার দিন স্টেশন কাউন্টার থেকে (উচ্চ শ্রেণী ব্যতীত) মোট আসনের ২৫ শতাংশ সমপরিমাণ স্ট্যান্ডিং টিকিট দেয়া হবে।

ফিরতি টিকিট বিক্রি

রেলওয়ে জানিয়েছে, ঈদের ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হবে ১৩ মার্চ থেকে। ১৩ মার্চ বিক্রি হবে ২৩ মার্চের টিকিট পর্যায়ক্রমে ১৯ মার্চ পর্যন্ত বিক্রি চলবে, যা ২৯ মার্চের যাত্রার জন্য প্রযোজ্য।

ঈদযাত্রার চাপ সামাল দিতে ১৬ মার্চ থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত সব আন্তঃনগর ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটি (অফ-ডে) বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি পাহাড়তলী ওয়ার্কশপ থেকে ৪৭টি অতিরিক্ত মিটারগেজ (এমজি) কোচ যাত্রীবাহী সার্ভিসে যুক্ত করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

এসএইচ