খলিলুর রহমান বলেন, ‘ফরেন পলিসির অভিমুখ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় আমরা ভবিষ্যৎ নিয়ে পরিকল্পনা করেছি। আসছে দিনের পররাষ্ট্র নীতি হবে, বাংলাদেশ ফার্স্ট। যেখানে জাতীয় স্বার্থ পাই পাই করে আমরা বুঝে নেবো। একভাবে আমরা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়ার পররাষ্ট্র নীতি নিয়েই কাজ করবো।’
নতুন দায়িত্ব দেয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের স্বার্থ সম্পূর্ণ রক্ষা করে আমরা বৈদেশিক সম্পর্ক রাখবো। আমরা পররাষ্ট্র কর্মকাণ্ডে আমাদের জাতীয় স্বার্থ পই পই করে বুঝে নেবো। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বৈদেশিক নীতিতে সরকার চলবে। সব দেশের সঙ্গে আমরা সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চাই।’
আরও পড়ুন:
রোহিঙ্গা বিষয়ে নজর বাড়নো হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মিয়ানমার সরকার এবং আরাকান আর্মির সঙ্গে যোগাযোগ আরও বাড়ানো হবে।’
আরও পড়ুন:
ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বিষয়ে খলিলুর রহমান বলেন, ‘আমি নিজের ইচ্ছায় মন্ত্রী হইনি। আর যারা ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কথা বলছেন, তারা চাইলে আবার ভোট গণনা করতে পারেন। বিএনপি আগে পদত্যাগ চাইলেও সময়ের সঙ্গে পরিস্থিতি বদলায়।’
আরও পড়ুন:
এসময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘দেশের জনগণের স্বার্থ রক্ষা করে পররাষ্ট্রনীতি চলবে।’





