এ সময় আমিনুলকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান যুব ও ক্রীড়া সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম। এ সময় ক্রীড়াবান্ধব দেশ গড়তে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বিভিন্ন দিক নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত ও দলীয়করণমুক্ত করতে চাই আমরা। একবারে পরিবর্তন করতে পারব না। ধীরে ধীরে শুরু করতে চাই। ক্রীড়াঙ্গনের মাধ্যমে যেন আগামীতে বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন আসে, সেটার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করব।’
দেশের ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে কী কী পরিকল্পনা রয়েছে সে বিষয়ে আমিনুল হক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগামীর ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে কী কী পরিকল্পনা রয়েছে, এরইমধ্যে আপনারা জেনেছেন। খেলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই আমরা। জাতীয় শিক্ষাক্রমে চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলার পাঁচটি ইভেন্ট বাধ্যতামূলক করতে চাই। এ ব্যাপারগুলো নিয়েই শুরুতে কাজ করব।’
এর আগে সংবাদ সম্মেলনে বসেই গতকাল আমিনুল ফোন দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান নির্বাহী নিজাম উদ্দিন চৌধুরী সুজনকে। মিরপুরে বিসিবি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের ঢোকার ব্যাপারে যেন কোনো নিষেধাজ্ঞা না থাকে, এটাই নিশ্চিত করেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী।
আরও পড়ুন:
আমিনুল হক বলেন, ‘আপনারা স্বাধীনভাবে সকল মতামত প্রকাশ করতে পারবেন। সেটার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা সবসময় থাকবে।’





