ব্যস্ত সড়কের এ চিত্র গড়ায় রাত পর্যন্ত। নারায়ণগঞ্জ শহরের প্রধান সড়কগুলো থমকে থাকে দীর্ঘ যানজটে। অবাধে ইজিবাইকের চলাচলে বাড়ছে বিড়ম্বনা। শুধু সড়কে নয়, ফুটপাতেও নেই স্বস্তি, চলে গেছে হকারদের দখলে। এ বিড়ম্বনার সঙ্গে বাড়তি যুক্ত হয়েছে সিটি করপোরেশনের ড্রেনেজ ব্যবস্থা সংস্কার কাজের ধীরগতি। খোঁড়াখুঁড়ি করে দীর্ঘদিন ফেলে রাখা হয়েছে বিভিন্ন সড়ক। এতে তৈরি হচ্ছে যানজট, বাড়ছে জনদুর্ভোগ।
পথচারীরা জানান, রাস্তায় চলাচলে সময় অনেক কষ্ট হচ্ছে। আর ড্রেনেজ ব্যবস্থা খারাপ থাকায় জনদুর্ভোগ দিন দিন বাড়ছে।
এদিকে, নগরবাসীর দাবি, দ্রুত ড্রেনেজ সংস্কার শেষ করা, ইজিবাইক নিয়ন্ত্রণ এবং ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি নগরবাসীর।
আরও পড়ুন:
পথচারীদের একজন বলেন, ‘সুশাসন প্রতিষ্ঠা হলে নগরের যানজট, হকারমুক্ত ও জনদুর্ভোগের মতো পরিস্থিতি অনেকটাই কমে যাবে।’
নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন পন্টি বলেন, ‘নগরীর ফুটপাতে দোকানপাট বসানো বন্ধ করতে হবে। তাহলে কমবে যানজট।’
অন্যদিকে, যানজট নিরসন ও ফুটপাতকে হকারমুক্ত রাখতে নানা পরিকল্পনার কথা জানান পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী বলেন, ‘ফুটপাততে যারা চলাচলে বিগ্ন সৃষ্টি করতেছে। সে বিষয়ে নবনির্বাচিত প্রতিনিধিদের সঙ্গে বসা হবে।’
এদিকে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির বলেন, ‘হকারদেরকে নির্দিষ্ট জায়গায় পুনর্বাসন করার জন্য আমরা চেষ্টা করছি।’
নতুন সরকার গঠনের পর নারায়ণগঞ্জ শহরের এ ভোগান্তি নিরসনে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে প্রত্যাশা নগরবাসীর।





