চলতি বছরের শুরু থেকেই এশিয়ার দেশগুলোতে নতুন করে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে প্রাণঘাতী নিপাহ ভাইরাস (Nipah Virus - NiV)। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ৫ জন আক্রান্ত শনাক্ত হওয়ার পর এবার বাংলাদেশেও এই ভাইরাসে সংক্রমণের ফলে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization - WHO)। শুক্রবার এক বিবৃতিতে ডব্লিউএইচও জানায়, গত ২৮ জানুয়ারি বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ জেলায় নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্টারন্যাশনাল হেলথ রেগুলেশন ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্ট (International Health Regulation National Focal Point) কর্মকর্তারা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে এ সংক্রমণের তথ্য নিশ্চিত করেন। এসব তথ্য পর্যালোচনা করে ডব্লিউএইচও জানায়, ওই নারীর কোনো ভ্রমণের ইতিহাস না থাকলেও তিনি কাঁচা খেজুরের রস (Raw Date Palm Sap) পান করেছিলেন। তার সংস্পর্শে আসা ৩৫ জন ব্যক্তিকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং পরীক্ষার পর জানা গেছে এদের কারোর শরীরে নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটেনি।
আরও পড়ুন:
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশে নিপাহ ভাইরাসের প্রকোপ বেশি দেখা গেছে। ২০০১ সাল থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ১০০ জনের বেশি মানুষ মারা গেছেন। আর আক্রান্ত হয়েছেন সাড়ে তিনশোর বেশি। ভারত ও বাংলাদেশে নিপাহ ভাইরাস সংক্রমণের খবর প্রকাশের পর উদ্বেগে পড়েছে চীনসহ এশিয়ার অন্যান্য দেশ। এরই মধ্যে বিমানবন্দরে যাত্রীদের তাপমাত্রা পরীক্ষা (Airport Passenger Temperature Check) চালু করেছে মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, চীন, নেপাল, ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তান।
বিশেষ করে, ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে আসা ফ্লাইটের যাত্রীদের বিশেষ স্ক্রিনিং (Special Screening) শুরু করেছে নেপালের কাঠমান্ডু এয়ারপোর্টসহ থাইল্যান্ডের ব্যাংকক ও ফুকেটের তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। আর নিপাহ ভাইরাসকে সংক্রামক ও প্রাণঘাতী রোগের ‘ক্যাটাগরি-ফাইভ’ (Category-Five) হিসেবে তালিকাভুক্ত করে বিশেষ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালুর ঘোষণা তাইওয়ানের।
আরও পড়ুন:



 M Sakhawat Hossain-320x167.webp)

