তারেক রহমান বলেন, ‘ইনশা আল্লাহ, আমার দল আপনাদের ভোটে এবং এই দেশের মানুষের ভোটে নির্বাচিত হলে আমরা সমগ্র দেশের শহর, বিশেষ করে এই ঢাকা শহরকে একটি নিরাপদ শহরে রূপান্তরিত করতে চাই। যে শহরে মা-বোনেরা নিশ্চিন্তে যেকোনো সময় হাঁটতে পারবেন, মানুষ নিরাপদে বসবাস করতে পারবে, ব্যবসা-বাণিজ্য ও চাকরি-বাকরি করতে পারবে। আমরা ঢাকাকে একটি সুন্দর শহর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই, যেখানে মানুষ বুক ভরে শ্বাস নিতে পারবে।’
খেলার মাঠ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই এলাকার খেলার মাঠের সংকটের কথা এখানে আগে বলা হয়েছে। আমি আপনাদের জানাতে চাই, ইনশা আল্লাহ বিএনপি ১২ তারিখে সরকার গঠন করলে শুধু এই এলাকাতেই নয়, ঢাকা শহরে অন্তত ৪০টি খেলার মাঠ তৈরি করা হবে। যাতে আমাদের সন্তানেরা খোলা মাঠে খেলাধুলা করতে পারে, আর আমাদের মুরুব্বি, মা-বোনেরা বিকেলবেলা বা প্রয়োজনের সময় হাঁটাচলা করতে পারেন।’
দেশ গড়ার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান সারা দেশে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চান। নিজের পরিচয় তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘আমি ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-১৭ আসন থেকে নির্বাচন করছি। আমি এই এলাকারই সন্তান। ছোটবেলা থেকে এখানেই বড় হয়েছি। আমার সন্তানেরা এখানেই জন্ম নিয়েছে, আমাদের পারিবারিক অনুষ্ঠানগুলোও এই এলাকাতেই হয়েছে।’
আরও পড়ুন:
তিনি আরও বলেন, ‘এই এলাকার সন্তান হিসেবে আমি এলাকার মুরুব্বি, মা-বোন ও ভাইদের কাছে বিনীতভাবে ধানের শীষে ভোট চাইছি। আগামী ১২ তারিখের নির্বাচনে আপনারা ইনশা আল্লাহ ধানের শীষকে জয়যুক্ত করবেন, এই প্রত্যাশা করি।’
এসময় তিনি ইসিবি চত্বর থেকে জসিম উদ্দিন পর্যন্ত সড়ক প্রস্তুত করার প্রতিশ্রুতিও দেন।
পথসভা শেষে তারেক রহমান পরবর্তী কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১০ নম্বর গোল চত্বর সংলগ্ন সেনপাড়া পর্বতে আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠের উদ্দেশে রওনা হন।
নির্বাচনি প্রচারণার প্রথম দিনে তারেক রহমান ঢাকা-১৬ আসনে পল্লবী ২ নম্বর ওয়ার্ডের লালমাঠে, ঢাকা-১৫ আসনে মিরপুরে, ঢাকা-১৪ আসনে মিরপুর মডেল থানার বিপরীতে ন্যাশনাল বাংলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে, ঢাকা-১৩ আসনে শ্যামলী ক্লাব মাঠে এবং ঢাকা-১১ আসনে বাড্ডার সাতারপুরে নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য রাখবেন।





