প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি অভিযোগ করেন, ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল ও প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে তাকে তিনটি মামলায় আসামি করা হয়েছে এবং নিজ এলাকা থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এসব মামলার ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, মামলার এজাহারে উল্লেখিত সময়ে তিনি সংসদ সদস্য পদেও অধিষ্ঠিত ছিলেন না।
আরও পড়ুন:
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণার পর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণা শুরু হলে তিনি ও তার নেতাকর্মীরা প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে বিভিন্ন মহল থেকে ভয়ভীতি ও গ্রেপ্তারের হুমকির মুখে পড়েন। এ কারণে অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মতো স্বাধীন ও স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচনি প্রচারণা চালাতে পারছেন না তিনি। এমন প্রতিকূল পরিস্থিতিতে দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে জিয়াউল হক মৃধার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। তবে তার নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক নাসির খান।
এদিকে, এ বিষয়ে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবুবকর সরকার বলেন, ‘তিনি যে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন, সে বিষয়ে আমাদের কাছে কোনো তথ্য নেই। এ বিষয়ে তিনি আমাদের কিছু জানাননি।’





