Recent event

জীবন দেবো, কিন্তু জুলাই কাউকে দেবো না: জামায়াত আমির

জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান
জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান | ছবি: এখন টিভি
0

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, রাজনীতির নোংরা রাস্তা দিয়ে আর হাঁটা যাবে না। রাজনীতির পরিষ্কার সদর রাস্তা দিয়ে, হাইওয়ে-মোটরওয়ে দিয়ে হাঁটতে হবে। আমরা জুলাইয়ের শহিদ ও যোদ্ধাদের কথা দিচ্ছি— ইনশাআল্লাহ আমরা তোমাদের সঙ্গে বেইমানি করবো না। আমরাও তোমাদের মতো জীবন দেবো, কিন্তু জুলাই কাউকে দেবো না।

আজ (সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি) বেলা আড়াইটায় চট্টগ্রামের উপজেলার পদুয়া এসিএম উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জামায়াতে ইসলামীর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আবু সাঈদ এবং তার সঙ্গীরা আমাদের যাওয়ার সময় বলে গেছে, “হে জাতি! তোমাদের জন্য আল্লাহর দেয়া সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ— জীবন দিয়ে গেলাম। আমাদের লাশ তোমাদের কাঁধে, আমাদের রক্ত তোমাদের হাতে। আমাদের লাশের সঙ্গে বেইমানি করো না। আমরা যে জাতির মুক্তির জন্য লড়াই করেছি, সেই জাতির মুক্তির পথ দিয়ে হাঁটবে, সুবিধাবাদীদের পথে হাঁটবে না।” ’

তিনি বলেন, ‘চব্বিশ না হলে কি ছাব্বিশ পাওয়া যেত? তো চব্বিশকে যারা স্বীকার করে, তারাই তো ছাব্বিশের উত্তরসূরি, আর যারা চব্বিশ স্বীকার করে না, তাদের জন্য কোনো ছাব্বিশ আছে? তাদের জন্য ইনশাআল্লাহ ছাব্বিশে লাল কার্ড।’

আরও পড়ুন:

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, ১২ তারিখ পথ খুঁজে পাবে বাংলাদেশের মানুষ। ইনশাআল্লাহ সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করবে না। যে যুবকদের নেতৃত্বে আমাদের বিপ্লব সফল হয়েছে, সেই যুবকরাই বাংলাদেশের পথ দেখিয়ে দিয়েছে। ডাকসু থেকে শুরু, জাকসুতে এসে আপাতত থেমেছে। সব জায়গায় একই চিত্র।’

এসময় জামায়াত আমির একটি মানবিক বাংলাদেশের প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, ‘ইনশাআল্লাহ যে যুবকরা বুক চিতিয়ে যুদ্ধ করে, জীবন দিয়ে, পঙ্গুত্ব বরণ করে, গুলিকে পরোয়া না করে লড়াই করে বাংলাদেশকে হাতে ধরে রাস্তায় তুলে দিয়েছে— সেই যুবকরাই আগামীর বাংলাদেশ গড়ে দেবে ইনশাআল্লাহ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা কথা দিচ্ছি যুবকদের হাতে, যুবতীদের হাতে আমরা বেকার ভাতা দিয়ে তাদের অপমানিত করবো না। তাদের শিক্ষা-প্রশিক্ষণ দিয়ে তাদের হাতে মর্যাদার কাজ তুলে দেবো। সেদিন তারাই গড়ে দেবে নতুন বাংলাদেশ, আর গর্ব করে বলবে— “আমি বাংলাদেশ, এটা আমার বাংলাদেশ।” গর্বের সঙ্গে সেদিন যুবকরা পরিচয় দেবে ইনশাআল্লাহ।’

এসএইচ