ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘ডাকসু দিয়ে শুরু, জকসুতে এসে থেমেছে আপাতত। আগামী ১২ তারিখ ইতিহাস সৃষ্টি হবে।’
তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের স্লোগান ছিল, আমার ভোট আমি দেবো, তোমার ভোটও আমি দেবো। সেই দিন শেষ। আমার ভোট আমি দেবো, তোমারটা তুমি দাও। কিন্তু আমার ভোট কেড়ে নিতে আসলে হাত গুঁড়িয়ে দেবো।’
জামায়াত আমির বলেন, ‘মায়েরা আমাদের মাথার তাজ। তাদের সর্বোচ্চ সম্মান দিতে হবে। কয়েকদিন আগে আমার বিরুদ্ধে লেগে গেছে। লেগে লাভ হবে না, নিজেরা ফেঁসে যাবে। আমি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলেছি, তাই আমার বিরুদ্ধে লেগেছে।’
তিনি বলেন, ‘আমি বিশ্বাস করি বীর চট্টলার মানুষ সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে। আমি, আমরা, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় আসতে চাই না। ক্ষমতায় আসবে ১৮ কোটি মানুষ। আমরা যেন রাষ্ট্রের সবকিছু বণ্টন করে দিতে পারি। যারা ১৩ তারিখ থেকে নতুন বাংলাদেশ দেখতে চান, তারা ১১ দলীয় জোটকে ক্ষমতায় আনবেন।’
আরও পড়ুন:
তিনি আরও বলেন, ‘গত ৫৪ বছরে দেশে কিছুই হয়নি, এ কথা বললে ভুল হবে। তবে যতটা উন্নয়ন হওয়ার কথা ছিল, ততটা হয়নি। কারণ, যারা ভোটের আগে মিষ্টি কথা বলেছে, ভোট শেষ হতেই তারা সুর পাল্টে ফেলেছে।’
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘জুলাইয়ে স্লোগান ছিল, উই ওয়ান্ট জাস্টিস (আমরা ন্যায়বিচার চাই)। তোমার পাওনা তুমি নাও, আমার পাওনা আমাকে দাও। যারা টাকা দিয়ে ভোট কিনতে চায়, তারা মানুষ নামের কলঙ্ক। পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচনে দেশের অতি শিক্ষিত ছেলেমেয়েরা বলে দিয়েছে আমরা চাঁদাবাজদের পক্ষে নেই।’
তিনি বলেন, ‘আমরা দলীয় সরকারের রাজত্ব কায়েম করতে চাই না, পরিবারতন্ত্র চাই না, আমরা চাই ১৮ কোটি মানুষের সরকার।’
জনসভায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জামায়াতের আমির আলাউদ্দিন শিকদার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় জামায়েতের অ্যাসিসট্যান্ট সেক্রেটারি মাওলানা মোহাম্মদ শাহজাহান, উত্তর জেলা জামায়াতের সাবেক আমির অধ্যক্ষ আমিরুজ্জামান, অধ্যাপক নুরুল আমিন চৌধুরী, উত্তর জেলা শ্রমিক সভাপতি ইউসুফ বিন আবু বকর, চট্টগ্রাম-১ আসনের প্রার্থী অ্যাডভোকেট ছাইফুর রহমান, চট্টগ্রাম-২ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ নুরুল আমিন, চট্টগ্রাম-৪ আসনের প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিক চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৫ আসনের প্রার্থী নাসির উদ্দিন মনির, চট্টগ্রাম-৬ আসনের প্রার্থী শাহজাহান মঞ্জু, চট্টগ্রাম-৭ আসনের প্রার্থী ডা. এ টি এম রেজাউল করিম, সনাতন প্রতিনিধি দোলন দেব, কেন্দ্রীয় তত্ত্বাবধায়ক ইব্রাহিম, ডাকসু জিএস এসএম ফরহাদ, চবি শিবির সভাপতি ও চাকসু ভিপি ইব্রাহিম রনি প্রমুখ।





