আরও পড়ুন:
কাগজের পোস্টারহীন নির্বাচন (Paper Poster-free Election)
এবারের নির্বাচনে ডিজিটাল বিপ্লব ঘটেছে। নির্বাচনি আচরণবিধিতে (Election Code of Conduct) পরিবর্তন এনে কাগজের পোস্টার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফলে দেয়ালে পোস্টার সাঁটানোর সেই চিরচেনা দৃশ্য এবার অনুপস্থিত। প্রার্থীরা লিফলেট, ব্যানার এবং ডিজিটাল স্ক্রিনের মাধ্যমে প্রচারণা চালাচ্ছেন।
একসঙ্গে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট (Simultaneous Election and Referendum)
বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একই দিনে দুটি ভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ভোটাররা সংসদ সদস্য নির্বাচনের পাশাপাশি ‘জুলাই সনদ’ (July Charter) বাস্তবায়নে নিজেদের মতামত দেবেন। এই গণভোটের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে আগামীর রাষ্ট্র সংস্কারের গতিপথ।
পোস্টাল ভোট ও প্রবাসীদের ভোটাধিকার (Postal Vote and Expatriate Voting Rights)
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর প্রবাসীদের ভোটাধিকার (Voting Rights for Migrants) নিশ্চিত করা হয়েছে। ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ (Postal Vote BD) অ্যাপের মাধ্যমে প্রবাসীরা ৫ ধাপে তাদের ভোট দিতে পারছেন। এ পর্যন্ত প্রায় ১৫ লাখের বেশি প্রবাসী এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত হয়েছেন।
অন্তর্বর্তী সরকারের অধীন নির্বাচন (Election Under Interim Government)
অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের (Interim Government) অধীনে এই ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দীর্ঘ দেড় যুগ পর একটি মুক্ত ও নিরপেক্ষ পরিবেশে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন।
আরও পড়ুন:
নির্বাচনে নেই আওয়ামী লীগ (Election Without Awami League)
সদ্য ক্ষমতাচ্যুত এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল হিসেবে এবারের নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না আওয়ামী লীগ। ১৯৮৮ সালের পর এটিই প্রথম বড় কোনো নির্বাচন যেখানে আওয়ামী লীগের কোনো প্রার্থী বা প্রতীক থাকছে না।
খালেদা জিয়াবিহীন নির্বাচন (Election Without Khaleda Zia)
বিএনপির দীর্ঘকালীন সেনাপতি বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণের পর এটিই প্রথম জাতীয় নির্বাচন। তার অনুপস্থিতিতে দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তারেক রহমান (Tarique Rahman), যিনি নির্বাচনি প্রচারণায় বিশেষ বাস (Campaign Bus) ব্যবহার করে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন।
আরও পড়ুন:
জোটে নিজ প্রতীকের বাধ্যবাধকতা (Compulsory Own Symbol)
নির্বাচন কমিশনের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো নিবন্ধিত দল জোটগতভাবে নির্বাচনে অংশ নিলেও তাদের নিজস্ব দলীয় প্রতীকে (Own Party Symbol) ভোট করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর ফলে বড় দলের প্রতীকের ছায়াতলে অন্য দলের প্রার্থীদের নির্বাচন করার দীর্ঘদিনের সুযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।
ইভিএম নেই (No EVM)
নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের (Election System Reform Commission) সুপারিশে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (EVM) বাতিল করা হয়েছে। শতভাগ ভোটগ্রহণ হচ্ছে সনাতনী ব্যালট পেপারে।
আরও পড়ুন:
ডিজিটাল মাধ্যম ও এআই’র ব্যবহার (Use of Digital Media and AI)
প্রার্থীদের প্রচারণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence - AI) এবং সোশ্যাল মিডিয়া ডমিনেশন (Social Media Domination) এবার প্রধান হাতিয়ার হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে এআই-এর মাধ্যমে ডিপফেক (Deepfake) ও ভুল তথ্য ছড়ানোর ঝুঁকি মোকাবিলা নির্বাচন কমিশনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।
আরও পড়ুন:
ভোটের দিন ভোটারদের জন্য প্রয়োজনীয় গাইডলাইন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬-এর ভোটের দিন ভোটারদের জন্য প্রয়োজনীয় করণীয় ও বর্জনীয় (Do's and Don'ts) নির্দেশিকা। নির্বাচন কমিশন নির্ধারিত নিয়ম মেনে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে আপনার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখুন।
আরও পড়ুন:
নির্বাচন ২০২৬: ফল প্রচারের সময়সূচি ও লাইভ আপডেট
ভোটগ্রহণের তারিখ ও সময়: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (বৃহস্পতিবার), সকাল ৭:৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪:৩০ মিনিট পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলবে।
ফল প্রচারের সময়সূচি:
- প্রাথমিক গণনা: ১২ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টার পর থেকে ভোটকেন্দ্রগুলো থেকে ফল আসা শুরু হবে।
- বেসরকারি ফল: ওই দিন রাত ৮টা থেকে মধ্যরাতের মধ্যে অধিকাংশ আসনের বেসরকারি ফল পাওয়া যাবে।
- চূড়ান্ত গেজেট: নির্বাচন কমিশন যাচাই-বাছাই শেষে পরবর্তী কয়েক দিনের মধ্যে চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করবে।
আরও পড়ুন:





