তার নির্বাচনি এলাকায় প্রচারণার সময় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ও ৪ নম্বর ওয়ার্ড এবং কবিরহাট উপজেলার ধানশালিক ইউনিয়নে টাকা বিতরণের একাধিক ভিডিও নিজ আইডি ‘মানবিক শওকত’ নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হতে দেখা যায়। এসময় নগদ টাকা গ্রহণকারীদের কাছে তার ছবি ও প্রতীক সম্বলিত লিফলেট বিতরণ করে দোয়া চাইতে দেখা যায় শওকতকে।
ভাইরাল ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, গত তিন দিনে তিনজন নারী ও পুরুষকে তিনি নগদ টাকা প্রদান করেন। গত শনিবার (২৪ জানুয়ারি) কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর ২ নম্বর ওয়ার্ডে টনসিল অপারেশনের রোগী শান্ত নামের মেয়েকে পাঁচ হাজার টাকা নগদ প্রদান করেন। এসময় প্রার্থী শওকতকে তার ছবি ও প্রতীক সম্বলিত লিফলেট বিতরণ করে দোয়া চাইতে দেখা যায়।
আরও পড়ুন:
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) একই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে ক্যান্সার আক্রান্ত এক পুরুষ রোগীকে তিনি ১০ হাজার টাকা নগদ প্রদান করেন। এছাড়া গত মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) তার নিজ ইউনিয়ন ধানশালিক এলাকার থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত তাওহিদ নামের শিশুর পরিবারকে নগদ ১০ হাজার টাকা প্রদান করেন।
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে শওকত হোসেন বলেন, ‘নির্বাচনকে আমি গুরুত্ব দিচ্ছি না। আমি আগে থেকে এসব করে যাচ্ছি এবং এখন যদি আমাকে এসবের জন্য নির্বাচন থেকে বসে যেতে হয় আমার কিচ্ছু যায় আসে না। আর আমি নির্বাচনে ৯০০ ভোটও পাবো না। তাই আমার এমপি হওয়ার তো কোনো সুযোগই নেই। তবু আমি ভোটে দাঁড়িয়েছে এবং নির্বাচনে প্রচারণা চালাচ্ছি। আমি যদি প্রার্থিতা বাতিল হয়ে যায়, তবু আমার এ ধরনের মানবিক কাজ করে যাবো।’
আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে নোয়াখালীর সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান বলেন, ‘এ ধরনের কোনো অভিযোগ এখনো পাইনি। অভিযোগ পেলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’





