আজ (শনিবার, ২৪ জানুয়ারি) সকালে পতনউষার ইউনিয়নের উসমানগড় এলাকায় শ্রীসূর্য নোয়াগাঁও গ্রামের সিএনজিচালক সুলতান মিয়ার বাড়ির পাশে এ গ্রেনেড পাওয়া যায়।
পুলিশ জানায়, শ্রীসূর্য নোয়াগাঁও গ্রামের সিএনজিচালক সুলতান মিয়ার বাড়ির পাশে একটি পুকুর আছে। সেই পুকুরে কয়েকদিন আগে মাছ জাল ফেলে মাছ ধরার সময় জালে করে এ গ্রেনেডটি উঠে আসে। তবে না বুঝেই পাশেই জমির মধ্যে একটি খাদে ফেলে দেওয়া হয় গ্রেনেডটিকে।
শনিবার সকালে স্থানীয় কৃষক মিন্নত আলী ঘাস কাটতে গেলে গ্রেনেডটি দেখে পতনঊষার ইউনিয়ন আনসার কমান্ডার নেছার আহমেদ জুনেদকে জানান। পরে তিনি ৯৯৯ এ কল দিয়ে পুলিশকে অবগত করেন। পুলিশ এসে লাল পতাকা লাগিয়ে জায়গাটি সংরক্ষণ করে রেখেছে।
আরও পড়ুন:
স্থানীয়রা ধারণা করছেন গ্রেনেডটি বহু পুরোনো এবং ধারণা করা হচ্ছে এটি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের। কারণ ওই এলাকায় অবস্থিত শমশেরনগর বিমানবন্দরে ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনী অবস্থান করত। স্থানীয়দের মতে, সেসময় ব্যবহৃত কোনো বিস্ফোরক এখানে এসে পড়তে পারে। এর আগেও গতবছরের জুলাই মাসে একই গ্রাম থেকে মাটি কাটার সময় আরও একটি তাজা গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়।
কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আউয়াল জানান, ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকাটি ঘিরে রেখেছি। স্থানটির অদূরে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে পাকিস্তানী বাহিনীর ক্যাম্প ছিল বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনীর বোম্ব ডিসপোজাল টিমকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। তারা এসে গ্রেনেডটি নিষ্ক্রিয় করবেন।’





